ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই বিপাকে সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে জামিন অধরা ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর। সুজিত বসুর জামিনের বিরোধিতা ইডি'র। গত তিন বছরে কেন জেরা করা হল না? গ্রেফতারির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। ২৯ জুনের মধ্যে ইডি'কে তাদের বক্তব্য জানাতে নির্দেশ বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর। সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি ১ জুলাই।
25
জামিন নিয়ে বড় নির্দেশ আদালতের
সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন না জেলে থাকা প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। গত ১১ মে ইডি দীর্ঘ জেরার পর সুজিতকে গ্ৰেফতার করে। এর পরই কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন সুজিত বসু। সেই মামলায় জামিনের বিরোধিতা ইডির তরফে আইনজীবীর।
35
আদালতে কী বলল ইডির আইনজীবীর
সোমবার শুনানিতে সুজিতের জামিনের বিরোধিতা করে ইডি। সুজিত বসুর আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি। তিনি ইডির দাবির তীব্র বিরোধিতা করে সওয়ালে বলেন, 'গত ২০২৩ সালের ইডি মামলা এই মামলা করে। কিন্তু, গত সাড়ে তিন বছরে একবারের জন্যও তদন্তে ডাকা হয়নি।
উনি জনপ্রতিনিধি ছিলেন। দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন। গত মে মাসে দু’বার তাঁকে তলব করা হয়। দ্বিতীয় হাজিরার দিন গত ১১ মে দীর্ঘ জেরার পর গ্রেফতার করা হয়। এতে গ্রেফতারির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।' তখন ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী তাদের বক্তব্য জানানোর জন্য সময় চান।
55
কোন মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসু?
দক্ষিণ দমদম পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁকে গ্রেফতার করার কথা জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন সুজিত। গত ১২ মে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় হাজিরা দেওয়ার পর প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জেরা করেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর রাতে প্রাক্তন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করার কথা জানানো হল। এর আগে ১ মে ইডি দফতরে হাজিরা দেন সুজিত। তখনই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল কিন্তু সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও আদালত থেকে রক্ষাকবচ পাননি তিনি। ফলে সোমবার হাজিরা দিতেই হয়। এদিন আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেন সুজিত। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হল না। তিনি গ্রেফতারি এড়াতে পারলেন না। আর তারপর থেকে এখনও জেলেই সুজিত বসু।