কট্টোরপন্থী মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যদের হামলায় উত্তপ্ত বাংলাদেশ। প্রায় একশো জনের একটি দল হিন্দুদের মন্দির ও একটি ট্রেনে হামলা চালায়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রের খবর কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের ১০০ সদস্য রবিবার বাংলাদেশের একাধিক মন্দিরে তাণ্ডব চালায়। তারাই হামলা চালায় একটি ট্রেনেও। এক্সপ্রেস ট্রেনে ভাঙচুর চালান হয়। রেল লাইন খুলে নেওয়ারও চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। ব্রাহণবাড়িয়া ও আশুগঞ্জের মাঝখানে একটি রেলসেতুতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমান ঢাকা, চট্টোগ্রাম সিলেট ও নোয়াখালিতে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। এখনও বিস্তীর্ণ এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। আগামিকালও বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কট্টর মৌলবাদী সংগঠন। আগামী শুক্রবারও বিক্ষোভ দেখান হবে বলে দলেপর পক্ষ তেকে জানান হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোরমনোভাব নিয়েছে বাংলাদেশের প্রশাসন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামন খান জানিয়েছেন, উৎশৃঙ্খল আচরণ বন্ধ না করলে কঠোর হাতে তা মোকাবিলা করা হবে। জনগণের জীবন ও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি রক্ষায় জোর দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন ধর্মীয় উন্মাদনায় কিছু ব্যক্তি চট্টোগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল আশুগঞ্জ সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করছে। 

সুয়েজ খালে ৬ দিন ধরে আটকে জাহাজ, বিশ্বের অন্যতম খালে বাড়ছে ট্রাফিক জ্যাম ...

মমতার পাখির চোখ নন্দীগ্রামে জোর জনসংযোগ, শুভেন্দুকে হারাতে ২ দিনে ঠাসা প্রচারসূচি ...

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের পরেই এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতা করে পথে নেমেছিল কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যরা। সেই সময়ই তাদের রুখে দেয় পুলিশ।  এই ঘটনায়  কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছি রাজধানী ঢাকা।  কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাংলাদেশ সফর শেষ হতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে মুলসিম বিরোধী ও বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণের অভিযোগ তুলেছে। 

দুদিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবারই দেশে ফিরেছেন। আর তারপরই ফের উত্তপ্ত হতে শুরু করে বাংলাদেশ। রবিবার কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ট্রেনে হামলার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসেও ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। হামলা চালান হয় স্থানীয় প্রেসক্লাবগুলিতেও। কট্টরপন্থীদের এই বিক্ষোভে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এখনও এই এলাকায় বিস্তীর্ণ এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে।