সুয়েজ খাল, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূরণ ও ব্যস্ততম জলপথ। কিন্তু গত ছজিন ধরে বন্ধ রয়েছে এই জলপথ। আর তাতেই ধীরে ধীরে সুয়েজ খালে বেড়ছে যানজট। একটি কন্টেনার জাহাজ আটকে যাওয়ায় তৈরি হয়েছে এই বিপত্তি। স্যাটেলাইট ইমেজে পাওয়া ছবি থেকে জানা যাচ্ছে বৃহৎদাকার জাহাজটি সুয়েজ খালের দুই প্রান্তে আটকে রয়েছে। 


সুয়েজ খালের দক্ষিণ প্রান্তে আটকে রয়েছে জাহাজটি। সেখানে খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ মিটার। প্রথমে জোর করে কন্টেনারটিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তুত তাতে চালক ব্যর্থ হয়েছে। সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষের তরফে ওসামা রাবিক জানিয়েছেন যেকোনও সময় জলের তোড়ে জাহাজটি সোজা হয়ে যাবে। আর সংকট কেটে যাবে। কিন্তু সেই সময় কখন আসবে না নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা দেননি তিনি। তবে তাঁরাও আটকে পড়া জাহাজটিকে প্রযুক্তির সাহায্যে বের করে আনার চেষ্টাও শুরু হয়েছে। তবে কন্টেনারটি আটকে পড়ায় তার আসপাশে প্রায় ১২০টি ছোট বড় জাহাজ সুয়েজখালে নোঙর করতে বাধ্য হয়েছে। গোটা খাল জুড়ে প্রায় ৩২০টি ভেসেল দাঁড়িয়ে রয়েছে।   বিশ্বের প্রায় ১৫ শতাংশ জাহাজ বা কন্টেনার বা বড় নৌকা এই খাল দিয়ে যাতায়াত করে। 

প্রথম দফায় ৩০এ ২৬ আসন পাচ্ছে বিজেপি, দিল্লি থেকে রাজ্যের মহিলাদের ধন্যবাদ অমিত শাহর ...

মুকুল রায়ের ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপকাণ্ডে প্রশ্ন অমিত শাহর, 'কে ট্যাপ করেছিল ফোন' .

এমভি এবার গ্যাভেন, যা চারটি ফুটবল মাঠের চেয়েও লম্বা একটি কন্টেনার জাহাজ। গত মঙ্গলবারই সুয়েজ খালে আটকে গিয়েছিল। তির্যকভাবে আটকে যাওযায় সেটি আর বার হতে পারছে না। সুয়েজখাল কর্তৃপক্ষ মনে করছে শুধুমাত্র আবহাওয়ায় এর জন্য দায়ী নয়। এই ঘটনার পেছনে মানুষেরও হাত থাকতে পারে।  তবে ড্রেজার দিয়ে বালি সরিয়ে জাহাজটি চালু করার চেষ্টা করছে। তবে জাহাজটি মুক্ত করতে আরও একসপ্তাহ লাগতে পারে। বালি কাটা হয়ে গেলে জোয়ারের জলে তা সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছ কর্তৃপক্ষ। তবে জাহাজটি দাঁড়িয়ে থাকায় বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে। তেলসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আটকে যেতে পারে।