লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের হয়ে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে অবিলম্বে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছিল বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা ফিরদৌসকে, সেইসঙ্গে বাতিল করা দেওয়া হয় তাঁর ভিসাও। বিজনেস ভিসায় ভারতে এসে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে অংশ নেওয়ার অপরাধে অভিনেতাকে 'কালো' তালিকাভুক্তও করা হয়। 

সেই সময়ে 'দত্তা' নামে একটি ছবির শ্যুটিং চলছিল ফিরদৌস-এর। ছবির পরিচালক নির্মল চক্রবর্তীর কথায়, মার্ত কুড়ি শতাংশ শ্যুটিং হয়েছে। এখনও প্রায় আশি শতাংশ কাজই বাকি। ‘দত্তা’ ছবিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে এই অবস্থায় কী করে শেষ হবে ছবির কাজ, তাই নিয়ে ধন্দে পরিচালক-সহ গোটা ইউনিট। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পরিচালক জানিয়েছেন, এখনই ফিরদৌসকে বাতিল করার কথা ভাবছেন না পরিচালক। বরং তাঁকে নিয়েই ছবির কাজ এগোতে চান বলে জানান তিনি।

কিন্তু কবে কাটবে এর নিষেধাজ্ঞা, তা জানেন না খোদ অভিনেতাই। একটি সাক্ষাতকারে তিনি জানিয়েছেন, এখনও তিনি জানেন না যে কবে আবার ফিরতে পারবেন ছবির কাজে। তবে তাঁর যদি একান্তই ফিরতে দেরি হয়, তাহলে তিনি ছবির নির্মাতাদের ছবির কাজ আরও কিছুদিন পিছিয়া দেওয়ার অনুরোধ করবেন, বলে জানান তিনি। তবে আবেগের বশে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া যে তাঁর কত বড় ভুল ছিল, তা অবশ্য নিজে মুখেই স্বীকার করেছেন তিনি। তবে গোটা ইউনিটের এখন একটাই প্রার্থনা, জটিলতা কাটিয়ে যাতে খুব তাড়াতাড়ি আবার শুরু করা যায়, ছবির শ্যুটিং।