ঘটনাটির শুরু টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার এক সাক্ষাৎকার-কে ঘিরে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অঙ্কুশ জানিয়েছেন, তিনি বলিউড ছবিতে একজন সুপারস্টারের বুন্ধর চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। আর তার কারনটা হল সেই ছবিটি হল ১৯৯৪ সালে একটি বিখ্যাত হলিউড ছবির "ফ্রেম টু ফ্রেম কপি"। তিনি আরও জানিয়েছেন, সেই বলিউড সুপারস্টার রীতিমতো অনুরোধ করেছেন অঙ্কুশ-কে বন্ধুর চরিত্রে এই ছবিতে কাজ করানোর জন্য। তবে বলিউডের মতো ইন্ড্রাষ্ট্রিতে এমন রিমেক ছবি দিয়ে তিনি কাজ শুরু করতে চান না।

এই সাক্ষাৎকার-কে ঘিরেই সূত্রপাত হয় সমস্যার। এমন একটা সাক্ষাতকার কিছুতেই হাতছাড়া করেননি জনপ্রিয় ইউটিউবার বং গাই অর্থাৎ কিরণ দত্ত। এই সাক্ষাতকার পেতেই ওমনি তা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। সেই সাক্ষাতকার নিয়ে বং গাই যথারীতি নিজের মজার মোড়ক ভিডিওটিতে জুড়ে সটান পাবলিশ করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেই ভিডিওটিতে বং গাই অর্থাৎ কিরণ জানিয়েছেন, অভিনেতা অঙ্কুশ আর কাউকে নন, তিনি বলিউড সুপারস্টার আমির খানের সঙ্গে কাজ করতে রাজি হননি। আর সেই সঙ্গে কিরণ অঙ্কুশের এমন কিছু ছবি নিজের ভিডিওতে তুলে ধরেছেন যেগুলি সমস্ত অন্য ভাষার ছবির রিমেক বা কপি। সেই তালিকায় রয়েছে খিলাড়ি, হড়িপদ ব্যন্ডওয়ালা, ইডিয়ট,আমি যে কে তোমার, আশিকী, কেলোর কির্তী, এমনকী অঙ্কুশের প্রথম ছবি কেল্লাফতে-ও।

"অঙ্কুশ দা জিন্দাবাদ" নামে ভিডিওটি পোস্ট করেন বঙ গাই। আর আসল টুইস্ট টা হল ভিডিওর শেষের দিকে। সেখানে বং গাই লিখেছেন "শুধু বলে দাও কোথাকার স্টাফ! আমিও নেব প্লিস" আর অন্য একটি পোস্টে ক্যাপসন হিসেবে লেখেন, কোথাকার মাল দাদা। কিরণের এই উক্তি ঘিরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় এই বাকযুদ্ধ। এরপরেই কিরণ-কে উদ্দেশ্য করে অঙ্কুশ লেখেন, আমরা যেমন দর্শকদের আনন্দ দিয়ে পেট চালাই, সেরকম এরাও সকালে উঠে মাইকের সামনে আমাদের খিল্লি উড়িয়ে পেট চালায়। এদের পেটে লাথি মেরোনা, এদেরও বাঁচতে দাও। ইউটিউব অনেক অসহায়দের এভাবে রোজগার করার সুযোগ করে দিয়েছে...

এরপর থেকেই চলছে বং গাই ভার্সেস অঙ্কুশের একের পর এক পোস্টের লড়াই। "কোথাকার মাল"-এর উত্তরে নায়ক জানিয়েছেন তিনি বর্ধমানের। তবে এ বিষয়ে বং গাই-এর স্পষ্ট বক্তব্য যে তিনি মাল বলতে অন্য কিছুই বোঝাতে চেয়েছেন তবে বিষয়টি অভিনেতা নাকি এখনও তা বুঝে উঠতে পারেননি। এই নিয়ে দু-তরফ থেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় চলছে নেটিজেনদের মন্তব্য। তবে এই মাল বলতে কিরণ ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, দেখুন তো আপনারা বুঝতে পারেন কী না!