রাজনীতির ময়দান ও অভিনয় একসঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছেন যাদবপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। প্রিয় বন্ধু নুসরত জাহানের বিয়ে পর্ব শেষ। এখন তাই মন দিয়ে কাজের আসরে নেম পড়েছেন মিমি। এরই মধ্যে দিল্লিতে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে এলেন যাদবপুরের সাংসদ। 

রাজনীতির ময়দানে পদার্পণ সম্পর্কে মিমি বলেন, আমরা রাজনীতিতে নতুন। আমরা চেষ্টা করছি। আমি বলব না, আমি সব ঠিক করে দেব। এটা তো ২ ঘণ্টার সিনেমা নয়। এটা বাস্তব। সুপার ওম্যানও নই। চেষ্টা করছি, কাজ করে যাচ্ছি। এটুকুই বলতে পারি। 

আরও পড়ুনঃ নুসরতের রিসেপশনের আসরে মিমি, কাঁধে নিলেন একাধিক ভার

মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে বলা হয় সাক্ষাৎকারটিতে। মিমি বলেন, বহু বছর আগে আমার প্রথম টেলি ধারাবাহিকটি খুব জনপ্রিয় ছিল। ঋতুপর্ণ ঘোষ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছিলেন। এতে অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত ছিল, যা দিদি খুব পছন্দ করেন। আমায় তখন খুব পছন্দ করেছিলেন দিদি। একটি ইভেন্টে দেখা হয়েছিল। প্রথম দেখাতেই জড়িয়ে ধরেছিলেন। একজন মুখ্যমন্ত্রী এত বিনয়ী দেখে আমার খুব ভালো লেগেছিল। ওই দিনই দিদি মন জিতেছিলেন। 

সংসদ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে মিমি বলেন, আমার কাছে যা পরামর্শ আসে আমি তার সম্মান করি। কিন্তু ভিতর থেকে যেটা মনে হয় সেটাই করা উচিত। আমি ছোট থেকে এটাই করে আসছি। আমি ভিতর থেকে যা, সেটাই প্রকাশ করি সকলের সামনে। আমি জিন্স-টিশার্ট, চোখে সানগ্লাস পরেই বেরোই। সেটাই করেছিলাম। 

আরও পড়ুনঃ রূপকথার গল্পের সাক্ষী থাকলেন মিমি চক্রবর্তী, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন ছবি

পশ্চিমবঙ্গে কি হিংসার ঘটনা ঘটছে একের পরে এক, এই প্রসঙ্গেও জবাব দেন মিমি। মিমি বলেন, কলকাতা খুব শান্তিপূর্ণ শহর। আমরা কাজের সূত্রে বিভিন্ন শহরে গিয়ে শ্যুটিং করি। কলকাতার সংস্কৃতি ও শিল্প সত্যি দেখার মতো। বাংলায় হিংসা হচ্ছে কি না অনেকেই জানতে চান। আমি বলব হয় না। ছোট ছোট ঘটনা সব জায়গায় হয়। কিন্তু সেগুলিকে বড় করে দেখানো হয়। সরকার সবকিছুর খেয়াল রাখছে।

নুসরতের সঙ্গে কতটা আলাদা মিমি, এই প্রশ্নেরও উত্তর দেন যাদবপুরের সাংসদ। প্রথমে মজা করে বলেন, নুসরত বিবাহিত, আর আমি সিঙ্গল। তিনি আরও বলেন, কলেজে গিয়ে আমরা নতুন বন্ধুর হাত ধরি। রাজনীতির ময়দানও আমাদের জন্য নতুন। আমরা আলাদা নই। বন্ধু।