বেনারস থেকে কলকাতা, নিখিল ও শ্যামার মধ্যে দূরত্ব বেড়েছিল অনেকখানি। এবার সেই দূরত্ব কমল তাদেরই মেয়ে কৃষ্ণার হাত ধরে। কলকাতায় এসে পরিস্থিতির শিকার হয়ে নিখিলের বাড়িতেই ফিরল শ্যামা। সেই নিয়ে বাধ সাধছে সুনয়না। নিখিলের অজান্তেই কৃষ্ণার প্রতি তার স্নেহ বাড়তেই শুরু করেছে। অন্যদিকে শ্যামাকে নিখোঁজ ভেবে নিখিলের মনের দুঃখ আজও একই রকম রয়ে গিয়েছে। অজান্তেই কৃষ্ণার মায়ের পরিচয় শ্যামার সঙ্গে কথপোকথন শুরু হয় নিখিলের। এবার গল্পের মোড় ঘুরেছে ফের কলকাতায়। 

বেনারস থেকে সোজা কলকাতা। আর বেনারসে আটকে থাকবে না শ্যামা ও নিখিলের জীবনের গল্প। নিখিলের কথায় কৃষ্ণা এবার নিয়েছে অন্য সিদ্ধান্ত। মা-কে নিয়ে কলকাতায় আসবে সে বাবাকে খুঁজতে। নিখিলই যে তার বাবা, এ কথা এখনও রয়েছে আড়ালে। কলকাতায় এসে পৌঁছে গিয়েছে শ্যামা ও কৃষ্ণা। শ্যামার ভয় ফের বাস্তবে পরিণত হল। কলকাতাতে পা রাখতেই বিপদের মুখে মা ও মেয়ে। গুণ্ডাদের কবলে পড়ে রাতের অন্ধকারে একেবারে অসহায় দু'জন। রাস্তার মাঝে একটা মানুষও নেই তাদের সাহায্য করার। 

আরও পড়ুনঃ'আপনার কি ঠান্ডা লাগে না', বরফের দেশে নিতম্বের অর্ধেকাংশ ফ্লন্ট করে ভাইরাল অনন্যার বোন

 

সেই সময় ভগবানের দূতের মতে এসে পড়ে নিখিল। গুণ্ডাদের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচায় কৃষ্ণা ও শ্যামাকে। শ্যামা এবং কৃষ্ণার বিপদ দেখে নিখিল সিদ্ধান্ত নিলেন নিজেদের বাড়িতে তাদের আশ্রয় দেওয়ার। ফের চৌধুরি বাড়িতে প্রায় কুড়ি বছর পর ফিরল শ্যামা। সঙ্গে এবার বাড়ির মেয়ে কৃষ্ণাও রয়েছে। এই নিয়ে সুনয়না ভালমন্দ শোনাতে শুরু করেছে নিখিলকে। মুন্নি, কৃষ্ণা ও শ্যামার বাড়িতে থাকা নিয়ে বেশ রেগে। সেই রাগ প্রকাশ করতেই নিখিলের কাছে বকা খায় মুন্নি। মুন্নির তরফদারি করতে গিয়েই সমস্যায় পড়ল সুনয়না। বেনারস থেকে কলকাতায় আসতেই এবার কি বদলাবে শ্যামার ললাটের লিখন। নাকি সুনয়না ও মুন্নির কারণে ফের আলাদা হয়ে যাবে নিখিল ও শ্যামা।