পুজোর আগেই ঐন্দ্রিলা সেন পেলেন বিশেষ উপহার উপহার পেলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানালেন ঐন্দ্রিলা কোন উপহারে ভরল ঐন্দ্রিলার মন

আজ তৃতীয়া। আর বলা সঠিক হবে না যে পুজো আসতে আরও দু'দিন বাকি। এখন মহালয়া থেকেই শুরু হয় পুজো পালন। তেমনই রাস্তাঘাটে বেড়ে গিয়েছে ভিড়। প্যান্ডেলে দর্শনার্থীর প্রবেশে হাইকোর্টে নিষেধাজ্ঞা জারি করার আগেই বেশ কিছু বড় প্যান্ডেলে ভিড় জমিয়েছিল শহরবাসী। পুজোর চিত্র অবশ্যই এ বছর একটু আলাদাই হবে। তবে আলাদা নয় সকলের অনুভূতি, সেই অনুভূতির কারণেই অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেনকে পুজোর উপহার পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ধীরে ধীরে টলিউডের একাধিক তারকাদের পুজোর উপহার দিচ্ছেন। সেই উপহারের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন ঐন্দ্রিলা। নীল রঙের একটি শাড়ি উপহার পেয়েছেন ঐন্দ্রিলা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। প্রসঙ্গত, দিন কতক আগে অঙ্কুশ হাজরা এবং ঐন্দ্রিলা সেনের আরব ভ্রমণের একটি ছবি এখন রীতিমত ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। ছবিটি যদিও পোস্ট করা হয়েছে আগেই তবুও ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশের ভালবাসার ছোঁয়া থাকলেই সে ছবির দিনের পর দিন ভাইরাল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে এই ছবিটি ভাইরাল হওয়ার কারণ অন্য। ঐন্দ্রিলা অঙ্কুশ জেবেল জিয়াস পাহাড়, যা আরবের সর্বোচ্চ জিপলাইনে গিয়ে একটি ছবি তোলেন। ঐন্দ্রিলা ছবিটি পোস্ট করেছেন। এখানে হারনেসের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয় ট্যুরিস্টকে। সেই জিপলাইনের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া পর সেই সর্বোচ্চ পাহাড় থেকে উড়ন্ত অবস্থায় আপনি দেখতে পাবেন অসামান্য দৃশ্য। 

এমন জায়গা গিয়ে ছবি তোলা হবে না তা তো হয় না। ঐন্দ্রিলা, অঙ্কুশ এই জিপলাইনের মজা নেওয়ার সময় ছবি তুলেছিলেন বাকিদের মত। সেই ছবিতেই রয়েছেন একজন তৃতীয় মহিলা। তাকে নিয়েই তোলপাড় হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। কে ইনি। কেন তাঁদের সঙ্গে বিদেশভ্রমণে রয়েছেন তিনি। অঙ্কুশ কিংবা ঐন্দ্রিলার আত্মীয় হিসাবে তাকে চেনেন না বলেই দাবি করে নেটবাসীরা। তাহলে কে এই মহিলা। ঐন্দ্রিলা এবং অঙ্কুশের পারফেক্ট সেলপফির মাঝে এই তৃতীয় মহিলাকে নিয়ে অনেকে আবার বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন। তাদের কথায় সুন্দর ফ্রেমের মাঝখানে এই মহিলাকে না রাখলেই ভাল হত। 

View post on Instagram

এই মহিলার নাম রিয়ান রায়। পেশায় একজন ফিটনেস ট্রেনার। অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলার, দু'টজনেরই ভাল বন্ধু হন তিনি। সম্ভবত দুবাইতেই থাকেন তিনি। যার কারণেই হয়তো অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা নিজেদের দুবাই ভ্রমণের কিছু অংশে রিয়ানকে সঙ্গে পেয়েছিলেন। জিপলাইনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য রিয়ানকেই সঙঅগে পেয়েছিলেন তাঁরা। রিয়ানের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ দেখে ইতিমধ্যেই ফিদা হয়েছে একাংশ নেটিজেন। রূপে গুণে একশো-এ একশো পেয়ে চলেছেন রিয়ান। ফিটনেসের দিক থেকে অবশ্যই কোনও তুলনা তার। তবে রূপেও সিনেমার নায়িকাদের টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। আপাতত অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার দিক থেকে নজর ঘুরেছে এই তৃতীয় মানুষের দিকে।