রাতারাতি আমফানের কারণে ছাড়খাড় হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ওড়িশাও। ভুবনেশ্বরের ক্ষতি নিয়ে জাতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর হলেও, বাংলাকে উল্লেখই করেনি অধিকাংশ মিডিয়া। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন। প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে বাংলার বহু মানুষ। সেই প্রতিবাদে এবার হাজির হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী করিনা কাপুর খান। এক থেকে দুটি ন্যাশানাল মিডিয়া ছাড়া বাংলার বিধ্বংসী অবস্থাকে উল্লেখই করা হয়নি কেন। প্রশ্ন তুলেছিলেন করিনা।

আরও পড়ুনঃবোল্ডনেসে ছক্কা হাঁকালেন শর্মিষ্ঠা, অভিনেত্রীর ফ্যাশন গোলস মুগ্ধ ভক্তরা

বলিউডে এমন মানবিকতা দেখা গেলেও কিছু ইগনোরেন্ট মানুষদের দেখা পাওয়া গেল। যেমন বলিউড প্রযোজক প্রিয়া গুপ্তা তাঁদের মধ্যএ একজন। তিনি এক সময় একজন সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বটে। অথচ বাংলা এবং ওড়িশায় কিছুদিন আগেই ঘটে যাওয়া আমফান সাইক্লোনের বিষয় কোনও খোঁজেই রাখেননি। একটি ট্যুইটে লিখেছেন, মুম্বই নাকি একমাত্র শহর যা করোনা এবং সাইক্লোন উভয়ের দাপট একসঙ্গে সহ্য করছে। ট্যুইটিতে একের পর এক নেটিজেনরা তাঁকে প্রশ্ন করে গিয়েছে এতদিন তিনি ঘুমোচ্ছিলেন কি না। বাংলা এবং ওড়িশা কতখানি ক্ষতিগ্রস্থ হল আমফান সাইক্লোনে অথচ নিসর্গ সাইক্লোনের বিষয় নিয়ে ট্যুইট করে তিনি নিজের জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিলেন। সৃজিত ট্যুইটের জবাবে সারক্যাস্টিকালি লিখেছেন, "আপনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, বিউবনিক প্লাগ, ট্যুইন নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোশনের এবং নাৎজি হলোকাস্টের কথা লিখতে ভুলে গিয়েছেন। ইতি, কলকাতাবাসী।"

আরও পড়ুনঃ'পদ্মাবত'-এ শাহিদের চরিত্রে থাকার কথা ভিকির, জনপ্রিয়তার অভাবে তাঁকে ছবি থেকে সরিয়ে দেন দীপিকা

মজার ছলে উচিত জবাব একমাত্র তার পক্ষেই দেওয়া সম্ভব। অধিকাংশ জাতীয় সংবাদমাধ্যম আমফান সাইক্লোনের সময় বাংলার নাম উচ্চারণ পর্যন্ত করেনি, যার কারণে সরব হয়েছিল গোটা বাংলার মানুষ। সৃজিতের মতই সুজির সরকার এবং রিচা চাড্ডা লিখেছেন, বাংলা ও ওড়িশাও সাইক্লোনে দিন কতক আগেই মারাত্মক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। যা ভাবনারও বাইরে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এখনও বাংলার বেশ কিছু জায়গা নেটওয়ার্কের সমস্যা রয়েছে। মুম্বই একেবারেই বিশ্বের একমাত্র শহর নয় যা করোনা ও সাইক্লোনের দাপট সহ্য করেছে।