আজ বাঙালির নববর্ষ উৎসব।  পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে আগমনের পালা। বিদায় ১৪২৬।  নতুন বছরে করোনামুক্ত হোক ১৪২৭।  প্রতি বছরের মতোন এই বছরও এসেছে নববর্ষ উৎসব। কিন্তু  এই নববর্ষটা যেন একটু বেশিই অচেনা। এই বছরটা যেন কেটে যাবে পুরোনোকে নিয়ে। নতুন কোনও কিছুরই ঠাঁই নেই এই বছরে। তাও যে নতুনকে বরণ করা আকুন্ঠ ইচ্ছা সকলের মনেই। অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সামিল হয়েছে বর্ষবরণ উদযাপনে। যদিও সকলের সঙ্গে মিলিত না হয়েও গৃহবন্দি দশাতেই মনের সঙ্গে মনের মিলন ঘটালেন ঋতুপর্ণা।

আরও পড়ুন-'আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে' নববর্ষে নস্টালজিয়ায় ডুব প্রসেনজিতের...

আঁধার কেটে আলো আসুক সকলের জীবনে । আর এই কামনা করেই শুরু হোক নতুনকে বরণ। করোনা প্রকোপে নববর্ষে আশঙ্কার কালো মেঘ থাকলেও আমোদপ্রিয় বাঙালির এই নববর্ষের উৎসব পালনে এতটুকুও ফাঁক রাখতে নারাজ।  আর সেই কারণেই সিঙ্গাপুরে থেকে সকলকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বৈশাখী আগমণের ডাকে সারা দিয়েছেন ঋতুপর্ণা। নিজের ইনস্টা প্রোফাইলে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন দিনের সূচনা করতে বলেছেন অভিনেত্রী। দেখে নিন পোস্টটি।
 


শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছার পিছনেও লুকিয়ে রয়েছে এক বিষাদ। কারণ 'নিজের সংস্থা  ভাবনা আজ ও কাল'-এর দপ্তরে ছোট একটি পুজো হয়। আর সেখানে যারা রয়েছেন তারাও ঋতুর পরিবারেরই মতোন হয়ে উঠেছেন।  এই বছর তাদের সকলের থেকে দূরে থেকেই সকলকে মিস করছেন অভিনেত্রী। হয়তো কাছে থাকলেও সেখানে যাওয়ার সুযোগও মিলত না মহামারীর জেরে। তাই নিজের লেখা কবিতা পাঠ করেই সমস্ত অনুরাগীদের শুভ নববর্ষের উপহার দিয়েছেন অভিনেত্রী।




কলকাতা ফ্ল্যাটে যতটা ব্যস্ততায় তার দিন কাটে, সিঙ্গাপুরে ঠিক পুরোটাই উল্টো। এখানকার সকালবেলাটাও যেন পুরো অন্যরকম। বরাবরই লিখতে ভালবাসেন ঋতু। আর এই সঙ্কটের দিনে সেই অনুভূতিগুলো যেন আরও বেশি করে জাগ্রত হয়ে উঠেছে।  আর তার পুরোটাই তিনি উজার করে দিয়েছেন এই কবিতার মাধ্যমে।