প্রয়াত অভিনেতা ও প্রাক্তন সাংসদ তাপস পাল। শোকাহত অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। প্রিয় 'তাপসদা' ঘিরে অসংখ্য় ভাল মুহূর্তগুলি বার বার ফিরে ফিরে আসছে ঋতুপর্ণার কাছে। তাই মন খুললেন আমাদের সংবাদ মাধ্য়মের কাছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

আরও পড়ুন, 'ভালবাসা ভালবাসা' থেকে ভুবনেশ্বরের জেল, তাপসের জীবন যেন সিনেমার মতোই

'তাপসদা চলে গেলেন। একটা যুগ, একটা অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ের অবসান। তাপসদার হাসি, অভিব্য়াক্তি আর অভাবনীয় অভিনয় ক্ষমতা বাঙালিকে চিরকাল আবিষ্ট করে রাখবে। একটা বড় ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে আমাদের সকলের প্রিয় তাপসদা। বাংলা সিনেমার অনেক দুর্দিনের দিনে উনি সুদিন দেখিয়েছেন বাংলা সিনেমাকে, বাংলা দর্শককে। তার ভুবন ভোলানো হাসির ছোঁওয়া সবার মানসপটে জ্বল জ্বল করবে চিরদিন। অনেক স্নেহ-মমতা-ভালবাসা পেয়েছি এই মানুষটার কাছে , তাঁর স্ত্রী নন্দিনীর কাছে। হয়তো অনেক বড় অভিমান নিয়েই সবার অগোচরে নিঃশব্দে চলে গেলেন এই মানুষটা।' ঋতুপর্ণা আরও জানালেন তাঁর প্রিয় 'তাপসদা'-র উদ্দেশ্য়ে, 'তুমি যেখানেই থাকো ভাল থেকো, উইল মিস ইউ তাপসদা।'

 

আরও পড়ুন, 'স্তম্ভিত এবং শোকাহত', শোকবার্তায় তাপসকে তৃণমূল পরিবারের সদস্য বললেন মমতা

তাপস পাল এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অনেক বাংলা ছবিতেই তাঁরা এক ফ্রেমে কাজ করেছেন।  সুভাস সেনের ছবি 'আলোয় ফেরা', বিদেশ সরকারের ছবি 'পরিচয়', প্রসুণ ব্য়ানার্জীর ছবি 'কে তুমি', শঙ্কর রায়ের ছবি 'অভিষেক' এ তাপস-ঋতুপর্ণা জুটি মনে রাখার মত। উল্লেখ্য়, বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেতা তাপস পাল মঙ্গলবার ভোরে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। মুম্বই বিমানবন্দরে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাকে জুহুর হলিক্রস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভোর ৩:৩৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় প্রাক্তন সাংসদের।