এভাবেই কোনও এক সন্ধ্যা খবর এসেছিল মিত্রা বন্ধ হয়ে যাওয়ার। একের পর এক কলকাতার বুকে থাকা ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মাল্টিপ্লেক্সের ঘেরাটোপে স্বরূপ হারাচ্ছে সিঙ্গল স্ক্রিন। এবার সেই স্মৃতি উষ্কে বন্ধ হল মধ্য কলকাতার রক্সি সিনেমাহল। দিনে মাত্র তিনটি শো, কখনও বা তা হত চারটে। একটাই ছবি আসত। আর দিনভর লাইন। 

আরও পড়ুন-'শেষ সময় এক সঙ্গে অনেক কাজ করেছি,' সন্তু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন সাবিত্রী...

আরও পড়ুন-ফের নক্ষত্রপতন, রইল প্রবীন অভিনেতা সন্তু মুখোপাধ্যায়ের জীবনের অজানা কিছু কথা...

সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটে ছবি দেখার মজা, সঙ্গে মিলত হাফটাইমের ভোজ। শীত ও তাপ নিয়ন্ত্রিত হলগুলির মাথায় শীতকালে চলত পাখাও। তবে সেসব এখন স্মৃতি। এখন আর চলে না সেই ঐতিহ্য। এখন আর প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে ছবি দেখা নয়। লাইন নয়, নিজের সময় মত মাল্টিপ্লেক্সে ছবি দেখতেই দর্শকেরা পছন্দ করে থাকেন। 

আরও পড়ুন-'সত্যজিৎ রায়ে কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম', সন্তু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকাহত সৌমিত্র...

পর্দায় সেই অনুভূতি নেই, কিন্তু যা ছিল তা হল এক রাশ আবেগ। আজ আরও এক প্রেক্ষাগৃহ হয়ে গেল ইতিহাস। বন্ধ হয়ে গেল রক্সি। বৃহস্পতিবার সন্ধের সময় শেষ শো দেখানো হল এখানে। এলিট সিনেমাহল বন্ধের পরই সংকেত পেয়েছিলেন কতৃপক্ষ। একটা হল ধরে রাখতে যে হারে খরচ হয়, তার জোগান দেওয়া আর সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল কতৃপক্ষের তরফ থেকে। ১৯০৮ সালে তৈরি হয়েছিল এই অপেরা হাউস। বাকিটা ১১০ বছরের ইতিহাস।