বাড়ির এক কোণে রাখা দেবী প্রতিমা। সঙ্গে আছেন মায়ের চার সন্তান। সকলেই সেজেছেন ডাকের সাজে। বাড়িতে উপস্থিত সকলের মনই খুশি। চারিদিক সুন্দর করে সাজানো। চলছে ছবির (Movie) কাজ। 

মা সেজেছেন ডাকের সাজে। বাড়ির এক কোণে রাখা দেবী প্রতিমা। সঙ্গে আছেন মায়ের চার সন্তান। সকলেই সেজেছেন ডাকের সাজে। বাড়িতে উপস্থিত সকলের মনই খুশি। চারিদিক সুন্দর করে সাজানো। টেবিল-চেয়ার সবই মজুত। মায়ের পুজোয় প্রস্তুতি চলছে। তাতে হাত লাগিয়েছে বাড়ির সকলে। তবে, এই মুহূর্তে ভিড়টা বাড়ির দোতলার ঘরে। সেখানে ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়েছেন সকলে। অন্যদিকে রাখা বিশাল ক্যামেরা। চলছে ছবির কাজ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সম্প্রতি, অভিজিৎ দাসের প্রথম ছবি ‘বিজয়ার পরে’ নিয়ে বেশ ব্যস্ত (Busy) সকলে। জমিয়ে চলছে ছবির কাজ। আর সেই ছবির জন্যই পৌষে আরাধনা হচ্ছে মা দূর্গার (Maa Durga)। ছবির কেন্দ্রে দূর্গোৎসব। প্রতিটি বাঙালি বাড়িই মেতে উঠেন মায়ের আরাধনায়। এই পুজো উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে বাড়ির সদস্যরা বাড়ি ফেরেন। তাদের অপেক্ষায় প্রায় এক বছর ধরে দিন অপেক্ষা করেন বৃদ্ধ মা-বাবারা। পুজোর কদিন সব ভুলে তারা মেতে ওঠেন। হাতে গোনা কয়টি দিনে জোড়া লাগে সম্পর্কগুলো। পুজো শেষ হলে আবার ফেরার পালা। এমনই একটি পরিবারে (Family) কথা তুলে ধরতে চলেছেন ছবিতে। দূর্গোৎসবের জন্য কীভাবে সম্পর্কগুলোর মধ্যে পরিবর্তন হয়। কীভাবে ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগে, আবার কীভাবে ‘বিজয়ার পরে’ (Bijiyar Pore) সব শেষ হয়ে যায়, তাই উঠে আসতে চলেছে ছবিতে। 

আরও পড়ুন: Aparajita Apu Coming Episode: বিডিও অপু, বাড়ি থেকে দূরে, কীভাবে মোকাবিলা করে হবে দূর্নীতি দূর

আরও পড়ুন: Devlina Hot Dance Video : 'চকাচক' গানে সারাকে টেক্কা দেবলীনার, কোমরের হিল্লোলে কাঁপছে নেটপাড়া

তবে, বিজয়া মানেই শেষ নয়। তার পরও হয় আরও এক নতুন অধ্যায়ের শুরু। এমনই বার্তা দিতে চলেছেন পরিচালক। ছবি জুড়ে রয়েছে বাঙালিয়ানা। ধুতি-পঞ্জাবি, ঢাকের শব্দ, বাঙালির ভুড়িভোগ, কী নেই ছবিতে। একেবারে পুজোর স্বাদ নিয়ে আসছে ছবিটি। ছবির বাড়তি পাওনা বলতে মীর (Mir) আর স্বস্তিকার (Swastika) জুটি। দুই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। একজন মৃন্ময়ী ও অন্যজন মীজানুর। প্রথমবার কাজ করছেন তাঁরা। এদিকে আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অলোকানন্দা ও আনন্দ। দীপঙ্কর দে (Dipankar Dey) ও মমতা শঙ্করকে (Mamata Shankar) দেখা যাবে এই চরিত্রে। জানা গিয়েছে, ছবির মধ্যে দুটি ভিন্ন প্রজন্মের গল্প ও মানসিকতা ফুটে উঠতে চলেছে। ছবির কাজ হয়েছে, বারুইপুর রাজবাড়ি, পুরী ও কলকাতার বিভিন্ন ঘাটে। যদিও এখনও বাকি ছবির গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ। এরপর হবে পোস্ট প্রোডাকশনের (Post Production) কাজ। শোনা যাচ্ছে, সামনের বছর এপ্রিলে মুক্তি পাবে ‘বিজয়ার পরে’। 

YouTube video player