Anik Dutta News: পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, সুইসাইট নোটে শুধু লেখা রয়েছে, “এই ঘটনার জন্য কেউ দায়ী নয়।” প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পরিচালক নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু একজন স্বনামধন্য পরিচালক হটাৎ কেন আত্মঘাতী হতে যাবেন?
Anik Dutta News: আকস্মিক মৃত্যু চিত্র পরিচালক অনীক দত্তর (anik dutta news)। বুধবার দুপুরে, হটাৎ খারাপ খবর! টলিউডের অতি পরিচিত মুখ তথা বাংলা সিনেমার প্রবাদপ্রতিম চিত্র পরিচালক অনীক দত্ত আর নেই। বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। অবস্থা তখনই যথেষ্ট সঙ্কটজনক ছিল (anik dutta death)।

এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে, এইরকম প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দুপুরে তিনি হটাৎ কেন ছাদে যাবেন? তাছাড়া কীভাবেই বা চার তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন? সেই আবহেই এবার গড়িয়াহাটে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হল সুইসাইড নোট।
উদ্ধার প্রয়াত পরিচালক অনীক দত্তর সুইসাইড নোট
পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, সুইসাইট নোটে শুধু লেখা রয়েছে, “এই ঘটনার জন্য কেউ দায়ী নয়।” প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পরিচালক নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু একজন স্বনামধন্য পরিচালক হটাৎ কেন আত্মঘাতী হতে যাবেন? জানা যাচ্ছে, পুলিশ ইতিমধ্যেই সেই সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। ঐ হাতের লেখাটি আদৌ পরিচালক অনীক দত্তর কিনা, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
টলি ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন অনীক দত্ত। মূলত, ফুসফুস এবং স্নায়ুর সমস্যাতে ভুগছিলেন। এর আগেও বাড়ির মধ্যে কয়েকবার পড়েও গেছেন বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, খানিকটা অবসাদেও ভুগছিলেন।
কিন্তু কেন আত্মহত্যা? তদন্তে পুলিশ
এই ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে যান পরিচালক অরিন্দম শীল, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়রা, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যয়া, জীতু কমল, অভিনেত্রী মানসী সিনহা, শ্রীলেখা মিত্র, বিদীপ্তা, সুদীপ্তা চক্রবর্তী এবং সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম ও শতরূপ ঘোষ সহ আরও অনেকে।
বুধবার দুপুরে, গড়িয়াহাটে হিন্দুস্তান পার্কের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন পরিচালক অনীক দত্ত। তারপরেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্তে রয়েছে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। পৌঁছে গেছেন ওসি নিজেম সঙ্গে আছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখাও। ঘটনাস্থলে এখনও চাপ চাপ রক্ত পড়ে রয়েছে। ঐ জায়গাটিকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

