শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জীবন এখন টালমাটাল। একের পর এক সম্পর্কে ভেঙেই চলেছে তাঁর। এই মুহূর্তে শান্তি খুঁজে পাওয়া যেন বিশাল এক কঠিন ব্যাপার। অবশেষে একাকিত্বেই খুঁজে পেলেন এক চিলতে শান্তির আভাস। এই একাকিত্বে আক্ষরিক অর্থে একাকিত্ব নয়। বরং 'মি টাইম' বলাই ভাল। স্যুইমিং পুলের ধারে নিজের স্মার্টফোনের ভিতরেই মগ্ন শ্রাবন্তী। তিনি একাই নিজের পরিপূরক। সব নারীকে এভাবেই কি বার্তা দিতে চলেছেন শ্রাবন্তী। ব্যক্তিগত জীবনে বারে বারে ব্যর্থতা কোনও মানুষের পক্ষেই সহ্য করা সম্ভব নয়। তবুও পেশাগত ও ব্যক্তিগত দিক সামলে সময়ের সঙ্গে এগিয়ে চলছেন শ্রাবন্তী।

দিন কতক আগে নিজেই জানান, দু'জন মানুষের আশীর্বাদ না থাকলে তিনি এ যাত্রায় হয়তো হেরেই যেতেন। তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে নিজে মুখে এ কথা স্বীকার করলেন শ্রাবন্তী। সম্প্রতি মা ও বাবার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে এমনটাই জানিয়েছিলেন শ্রাবন্তী। শ্যুটিংয়ের মাঝখানে শ্রাবন্তীকে এসে চমক দিয়েছিলেন তারা। মেয়েকে কোনও পরিস্থিতিতেই মেয়েকে একা ছাড়বেন না। এই মুহূর্তে শ্রাবন্তী ঠোঁটে হাসি থাকলে ভিতরে অবশ্যই রয়েচে চাপা দুঃখ। এমনই ধারণা শ্রাবন্তীর ভক্তদের। প্রতিটি বিয়ের সম্পর্কেই একের পর এক বাধা।

আরও পড়ুনঃবাসর রাতে মোহরকে বিশেষ উপহার শঙ্খর, লজ্জায় রাঙা হল 'মোহরদীপ'

 

কোনওভাবেই সুখে শান্তিতে সংসার কারর সুযোগই পাচ্ছেন না শ্রাবন্তী। তারই মধ্যে রোশনের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা বাড়ছে বলেই অনুমান নেটিজেনরা। বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরের গায় কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে শ্রাবন্তী এবং রোশনের মধ্যে। একাধিক পোস্টের মাধ্যমে নিজেদের প্রতি তিক্ততা জাহির করছেন তাঁরা। তবে এতেও ভেঙে পড়ার মানুষ নন শ্রাবন্তী। বরং ছেলে, মা, বাবাকে পাশে পেয়েই এগিয়ে চলেছেন। শ্যুটিংয়ের ফাঁকে বাবা, মায়ের দেওয়া সারপ্রাইজে আনন্দের অন্ত ছিল না শ্রাবন্তীর। খুশি হয়ে একটি সেলফি তুলে নিয়েছেন। যা তিনি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছিলেন, "হঠাৎ করে চমক। তোমরা আমার জীবনের সবথেকে বড় সাপোর্ট।"