জাতীয় স্তরের এই সাঁতারুকে কুর্নিশ জানালেন দেশের প্রতিটি মানুষ। কোটের হাতে মেয়ের ভবিষ্যত শপে দিয়ে নিশ্চিন্তে ছিলেন বাবা-মা। কিন্তু মেয়ের ক্রমেই সাঁতারের প্রতি অনিহাতে প্রশ্ন তোলেন পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়েই সাঁতারু মুখ খোলেন, প্রকাশ্যে আনেন তার কোচের নির্মম অত্যাচারের কথা। 

আরও পড়ুনঃ শিক্ষকের হাতেই হেনস্থা, কোচের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ জাতীয় সাঁতারুর

শুধু তাই নয়, প্রমাণ সরূপ হাতের কাছে একটি ক্যামেরা রেখে কোচের কীর্তি রেকর্ডিংও করেছিল ওই তরুণী। সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ছড়িয়ে পড়ায় রাতারাতি ততপর হয়ে পড়েন পুলিশ প্রশাসন। তরিঘড়ি দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয় সুজিত গঙ্গোপাধ্যায়কে। 

ভিডিওটি দেখা মাত্রই গর্জে উঠল টলিপাড়া। অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ভিডিওটি পোস্ট করে সাঁতারুর সাহসিকতাকে সাধুবাদ জানান। এই নৃশঃস কাণ্ডের পর যেন কোচের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠা প্রতিবাদে সামিল হন সকলেই। অভিনেত্রী রূক্মিনী স্বস্তিকার পোস্টিকে রিটুইট করে লিখলেন- এই ধরনের ঘটনা রক্ত গরম করে তোলে। সঙ্গে তিনি ছোট্ট তরুণীকে সেলুটও জানান। 

এই ভিডিওই সাতারুর সঙ্গে ঘটা নির্মম অত্যাচারের মাপকাঠি হতে পারে না। ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা নয়, ছোট্ট সাঁতারুর সাহসিকতাকে সাদুবাদ জানিয়েই গর্জে উঠুক নিটদুনিয়া। এই ভিডিও এতটাই নৃশংসতাকে তুলে ধরেছে যা এশিয়ানেট নিউজ বাংলা-র পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আনা গেল না। তার পরবর্তে রইল এই আবেদন, সাঁতারুর পাশে থেকে তার এই সাহসিকতাকে যথাযত মর্যাদা দিয়ে ভবিষ্যতের দৃষ্টান্ত করে তোলা হোক। যাতে প্রতিটি তরুণীর মধ্যে প্রতিবাদের ভাষা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা তৈরি হয়। নিঃসন্দেহে এই সাঁতারু যে সাহসিকতা দেখিয়েছে তাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়, একেই হয়তো বলে স্পোর্টস ম্যান স্পিরিট।