নৃত্যালয় চন্দা ডান্স সেন্টারের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বেলঘরিয়ায় অনুষ্ঠিত হল '৩০-র জলসা'। এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় শ্রীতমা ভট্টাচার্য, দেবলীনা দত্ত এবং গীতশ্রী রায়ের মতো শিল্পীরা শাস্ত্রীয়, সমসাময়িক ও ফিউশন নৃত্য পরিবেশন করেন। 

অনুষ্ঠিত হল বহু প্রতীক্ষিত ৩০-র জলসা। বেলঘরিয়া নিমতা বয়েজ অ্যাথলেটিক খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১১ জানুয়ারি নৃত্যালয় চন্দা ডান্স সেন্টার কর্তৃক আয়োজন করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠান। নৃত্যপ্রেমী, সংস্কৃতি অনুরাগী এবং শহরবাসীর সমাগম ঘটেছিল এই অনুষ্ঠানে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নৃত্যালয় চন্দা ডান্স সেন্টার ৩০ বছরেরও বেশি সময় ঘরে ভারতের পারফর্মিং আর্টস অঙ্গনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিভা বিকাশে এবং বিভিন্ন নৃত্যশৈলীকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে নিবেদিতপ্রাণ এনসিডিসি সব বয়স ও পটভূমির নৃত্যশিল্পীদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, মঞ্চায়ন এবং পারফরম্যান্সের সুযোগ করে দেয়।

অনুষ্ঠানে শ্রীতমা ভট্টাচার্য জটিল শাস্ত্রীর কোরিওগ্রাফি দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। যা ঐতিহ্যবাহী মোটিফকে উদ্ভাবনী ব্যাখ্যার সাথে মিশ্রিত করে ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের গভীরতাকে প্রতিফলিত করে। দেবলীনা দত্ত মঞ্চে সমসাময়িক শৈলী নিয়ে আসেন, যা আবেগপূর্ণ গল্প বলার সঙ্গে গতিশীল নড়াচড়ার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী পরিবেশনা উপহার দেন এবং দর্শরদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। গীতশ্রী রায় এই ফিউশন পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করে। লোকনৃত্যের উপাদানগুলোকে আধুনিক ছন্দের সঙ্গে নিপুনভাবে একত্রিত করা হয়েছিল। যা নৃত্যশৈলীর বৈচিত্র্য এবং বহুমুখিতাকে তুলে ধরে।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে নৃত্যালয় চন্দা ডান্স সেন্টার -র প্রতিষ্ঠাতা, কোরিওগ্রাফার এবং পরিচালক সৌরভ চন্দ বলেন, ৩০-র জলসা হল সেই সমস্ত নৃত্যশিল্পী, কোরিওগ্রাফার ও সমর্থকদের জন্য একটি উদযাপন, যারা গত ৩০ বছরে আমাদের এই যাত্রায় অবদান রেখেছেন। আজকের সন্ধ্যায় দর্শকদের শক্তি এবং উৎসাহ শিল্পের প্রতি কলকাতার গভীর ভালোবাসা এবং নৃত্যের রূপান্তরকারী শক্তিকে প্রতিফলিত করে।

নৃত্যালয় চন্দা ডান্স সেন্টার ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতের পারফর্মিং আর্টস অঙ্গনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিভা বিকাশে এবং বিভিন্ন নৃত্যশৈলীকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এই সংগঠন বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। এর বিভিন্ন উদ্যোগ, কর্মশালা এবং বৃহৎ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এনসিডিসি ভারতীয় নৃত্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয় এদিন। সব মিলিয়ে সমস্ত সন্ধ্যা ছিল মনোমুগ্ধ কর।