Asianet News Bangla

শিক্ষকের হাতেই হেনস্থা, কোচের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ জাতীয় সাঁতারুর

জাতীয় স্তরের সাঁতারুকে যৌন হেনস্থা

অভিযোগ কোচের বিরুদ্ধ

রিষড়া থানায় অভিযোগ দায়ের

গোয়া থেকে সপরিবারে ফিরলেন সাঁতারু

Physical harassment complain field against coach
Author
Kolkata, First Published Sep 5, 2019, 10:32 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

জাতীয় সাঁতারু এবার যৌন হেনস্থার শিকার হল খোদ কোচের হাতেই। মঙ্গলবারই স্থানীয় থানায় বিস্তারিত জানিয়ে অভিযোগ করেন ওই নাবালিকা সাঁতারু। নিজের ফেসবুক পেজেও সমস্ত ঘটনা জানিয়ে একটি পোস্টও করে সে। রিষড়ার বাসিন্দা ওই সাঁতারু গোয়ার হয়ে খেলত। সেখানেই বেশ কয়েকদিন ধরেই মেয়ের মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর বাবা-মা। অবশেষে সমস্যার কথা খুলেই জানায় মেয়েটি।

আরও পড়ুনঃ গান ধরলেন কৈলাস, তাল ঠুকলেন সব্যসাচী

বেশ কয়েকমাস ধরেই গোয়াতে ছিল এই সাঁতারু। জাতীয় ও রাজ্য স্তরে খেলে জিতে ছিল অনেক পদক। কিন্তু রাজকোটে অনুষ্ঠিত শেষ হওয়া প্রতিযোগিতায় হাতে ছিল সময় কম। ফলে ভালো ভলাফল করতে পারেনি সে। সেখান থেকেই চাপে জেদ। বাংলায় তাঁকে কোচিং করাতেন সুরজিৎ গাঙ্গুলী। অনুশীলনের জন্য তিনিও পাড়ি দেন গোয়ায়। সেখানে থেকে চলতে থাকে সাঁতারুর কোচিং। কিন্তু শেষ কয়েকদিন ধরেই তাঁর পরিবারের সকলে লক্ষ্য করেন যে মেয়ের কোনও ইচ্ছে নেই জলে নামার। জলে নেমে অমনোযোগী থাকে মেয়েটি, পারফর্মও নষ্ট হতে থাকে। 

আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতাদের হাতে দিদিকে বলোর কার্ড, আজব কাণ্ড রিষড়া পৌরসভায়

এমনই অবস্থায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অবশেষে মুখ খোলে সাঁতারু। জানায়, তাঁকে বেশ কয়েকদিন ধরেই যৌন হেনস্থা করছেন তাঁর কোচ। নাবালিকা সাঁতারুর এই অভিযোগে তড়িঘড়ি বাংলায় ফিরে আসে তাঁর পরিবার। স্থানীয় থানায় অভিযোগও জানান তাঁরা। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সপরিবারে গোয়ায় ছিলেন মে মাসে। এরপরই গোয়া থেকে তারা রিষড়া ফিরে আসেন। রিষড়া থানায় তারা অভিযোগ জানতে গিয়েছিলেন ৩ সেপ্টেম্বর। সেই দিন অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে তাঁরা লিখিত অভিযোগ না জানালে অভিযোগ নেওয়া হবে না। সেই মতই বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় সুরজিৎ গাঙ্গুলীর নামে।

রিষড়া থানায় এই অভিযোগ জানানোর পরই  তদন্তে নামেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতর। শিক্ষকদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ, তাঁদের এই ধরণের আচরণ যখন প্রকাশ্যে উঠে আসে তখন তা ঘিরে পরিবারের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়াই স্বাভাবিক। নাবালিকা এই সাঁতারুর অনুশীলনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় তাঁরই কোচ। সমস্যা সময় মত খুলে বলায় এখন মেয়েকে নিজেদের কাছেই রেখেছেন পরিবারের সদস্যরা। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios