গতকালই একাধিক কর্মসূচী নিয়ে বাংলায় এসেছিলেন অমিত শাহ সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির তুরুপের অন্যতম তাস হতে চলেছেন নয়া সৈনিক যশ নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে অমিত শাহের  সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যশ দাশগুপ্ত

২১-শের বঙ্গ ভোটকে লক্ষ করেই পালাবদলের হিড়িক চলছে। টলিপাড়াতেই যেন বিভেদ চলছে। কেউ শাসকদল তো কেউ গেরুয়া শিবির, একের পর এক রাজনৈতিক পালাবদলে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। বাংলা দখল করতে যেন ঝাঁপিয়ে পড়ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বারংবার আসছে বঙ্গ সফর। গতকালই একাধিক কর্মসূচী নিয়ে বাংলায় এসেছেন অমিত শাহ। আর আজ সকালেই সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-'অক্ষয়-টুইঙ্কল বিবাহিত হলেও আমরা নই', নুসরতকে নিয়ে হঠাৎ কেন এই মন্তব্য BJP-র যশের...

নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যশ দাশগুপ্ত। সাক্ষাতের সময় অমিত শাহর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। নীল ডেনিম এবং হলুদ রঙের টি-শার্টে অমিত শাহর সঙ্গে দেখা গিয়েছে টলি অভিনেতা। আগামীর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির তুরুপের অন্যতম তাস হতে চলেছেন নয়া সৈনিক যশ। একদিকে বিজেপির যশ অন্যদিকে শাসকদলের নুসরত-দেব-মিমির মতো হেভিওয়েট সাংসদের সঙ্গে টেক্কা দিতে বঙ্গ বিজেপির নয়া সৈনিকের উপরই ভরসা গেরুয়া শিবিরের। যদিও বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হবেন কিনা যশ, তা নিয়ে এখনও অবশ্য মুখ খোলেননি অভিনেতা।

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন টলি অভিনেতা যশ দাসগুপ্ত। বুধবার সকাল থেকেই তুমুল জল্পনার মধ্যেই হাতে তুলে নিয়েছেন গেরুয়া পতাকা। তবে শুধু যশ একাই নন, আরও বেশ কয়েকজন টলিপাড়ার সেলিব্রিটিও রয়েছেন সেই তালিকায়। একঝাঁক টলি তারকারা পদ্ম শিবিরে যোগদান করলেন যশের সঙ্গেই।বুধবার বিজেপির সদ্যনির্মিত পাঁচতারা মিডিয়া সেন্টারে যশ ছাড়াও বিজেপি-তে যোগ দিলেন পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলি ঘোষ বিশ্বাস, সুতপা সেন, অতনু রায়, মল্লিকা বন্দোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বেই পদ্ম শিবিরে যোগ দিলেন যশ এবং টলি অভিনেতারা। সকলের হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে দেওয়া দেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

বিজেপিতে যোগ দিয়েই যশ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া নয়। যেহেতু আমার নিজের বয়স কম তাই তরুণ প্রজন্মই আমার মূল লক্ষ। কারণ বিজেপি সবসময়েই তরুণ প্রজন্মের উপর জোর দিয়েছে। রাজনীতি মানেই পরিবর্তন দরকার। আর পরিবর্তন মানেই সিস্টেমের মধ্যে কাজ করা। প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যেই নুসরতের বিরোধী দলেই যোগ দিয়ে জল্পনা যেন দ্বিগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন যশ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন যশ। বিজেপিতে যোগ দিয়েই যশ জানিয়েছন, নুসরতের সঙ্গে তার বন্ধুত্বে কোনও প্রভাবই পড়বে না। যশের মতে, ব্যবস্থার বাইরে থেকে ব্যবস্থাকে বদলানো যায় না, তাই রাজনীতিতে যোগদান। এখানেই শেষ নয়, বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আশীর্বাদও চেয়ে নিয়েছেন যশ। অভিনেতা নিজে জানিয়েছেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়কে তিনি যথেষ্ঠ শ্রদ্ধা করেন এবং নিজেকে দিদির ভাই মনে করেন বলে জানান তিনি। তাই তার বিরুদ্ধে কিছু বলতে চান না।