ছন্দে ফেরার আগে সুরক্ষা জি বাংলার পক্ষ থেকে ভ্যাকসিনের উদ্যোগ আর্টিস্ট থেকে শুরু করে টেকনিশন  একে একে কল পাচ্ছেন সকলেই

ধারাবাহিক ছাড়া অচল অনেকেই। সন্ধে হলেই বহু মানুষের বাড়িতেই ভরসা একটাই, তা হল সিরিয়াল, সময় কাটানো থেকে শুরু করে বাড়িতে থাকার মোটিভেশনও বটে। সাধারণ মানুষকে গৃহে বন্দী রাখতে তাই এই সিরিয়াল সম্প্রচার, নির্মাণ, প্রযোজনা সংস্থাগুলির অবদানও অনেকক। তবে লকডাউনের কোপে বন্ধ হয়ে পড়েছিল বিনোদন জগত। তবুও তর্ক-বিতর্ককে বয়ে নিয়েই নিত্য নতুন এপিসোড পরিবেশ করেছে জি বাংলা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- সুশান্তের যে কোনও ছবি দেখলেই মিলবে একটুকরো সুশান্ত, মুখ খুললেন কেদারনাথ ছবির লেখক

বর্তমানে সংক্রমণ কমছে, তাই স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার আগে কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ানোর ব্যবস্থা করল এই সংস্থা। সোমবার অফিস চত্বরেই ভ্যাকসিন দেওয়ানো হল কর্মীদের। সেই ছবি এলো এবার সামনে। কেবল নিজেদের কর্মীদের নয়, প্রতিটা পদে জি বাংলার সঙ্গে যুক্ত যাঁরা, তাদের প্রত্যেকের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, আর্টিস্ট থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ান, স্টাফ তালিকা থেকে বাদ পড়বে না কেউ। আজ ৯৯ জন টেকনিশিয়ান ও ৯ জন আর্টিস্টকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

'ধারাবাহিকের এক দায়িত্বশীল সম্প্রচারক হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া। জি বাংলার সঙ্গে প্রতিটা পদে একাধিক মানুষ, ব্যবসায়ী পার্টনার জড়িয়ে, এদের সকলের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই একে একে সকলের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, এই সঙ্কটের সময় সকলের সুস্থতাই মূল কাম্য। আদপে এই পদক্ষেপ জি বাংলার এই পার্টনারশিপে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই সাহায্য করবে', - এমনটাই জানালেন জি বাংলার পূর্ব অঞ্চলের কর্তা সম্রাট ঘোষ। 

এদিন জি বাংলা থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন লোপামুদ্রা সিনহা,' তাঁর কথায় একশো শতাংশ ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ করে তবেই ফেরানো হবে ফ্লোরে। তার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া। জি বাংলার পাশাপাশি আর্টিস্ট ফোরামসহ অনেকেই নিয়েছে এই পদক্ষেপ, যার ফলে আসা করা যায় চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম স্তরের ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ হবে। তারপরই ফেরা হবে ফ্লোরে।' 

এদিন জিবাংলা থেকে ভ্যাকসিন নিলেন সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, একই সুরে তিনিও বললেন, 'ভ্যাকসিন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ফ্লোরে ফেরার প্রসঙ্গ তো রয়েইছে, পাশাপাশি সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেও এই পদক্ষেপ নেওয়া। স্টাফ থেকে শুরু করে কলাকুশলি সকলেই ডাক পাচ্ছেন। আজ মিঠাই ও রানি রাসমনির টিমের অনেকেই এসে ভ্যাকসিন নিয়েছে।' আগামী বেশ কয়েকদিন এখন এভাবেই চলবে ভ্যাকসিন প্রক্রিয়া।