সুশান্ত সিং রাজপুত, যাঁরা তাঁকে কাছ থেকে চিনতেন তাঁরা একবাক্যে জানিয়েছিলেন সুশান্তের মত মন কারুর হয় না। খুব ভালো মানুষ ছিলেন তিনি। সকলের পাশে গিয়ে সাধ্য মত দাঁড়াতে। সকলকে নিয়েই চলতে পছন্দ করতেন। তবে তাঁর কেরিয়ার নিয়ে চাহিদা ছিল বিস্তর। অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকা নয়, থেমে যাওয়া নয়, তাঁকে অনেকটা পথ যেতে হবে, এমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি অভিনেত্রী তথা বন্ধু লরেন গোটলিয়েবকে। 

আরও পড়ুনঃ জোহার-খানদের বিরোধিতায় পিটিশন স্বাক্ষর, বিহার থেকে সরল বেশকিছু পোস্টার

ঘড়ির কাঁটায় কখন ২ টো বেগে গেছে। সুশান্ত ম্যাসেজ পাঠাতেই মিলল জবাব। এরপরই কেরিয়ার আর ছবির জগত নিয়ে কথা। সুশান্তের হাতে একের পর এক প্রোজেক্ট। সবে মাত্র শেষ হয়েছে ধোনী ছবির কাজ। তবুও তিনি মানতে নারাজ ছিলেন যে তিনি অনবদ্য অসাধারণ। বন্ধুকে থামিয়ে বলেছিলেন, এটাতো কিছুই নয়, অনেকটা যেতে হবে, তাই এতেই শান্ত হলে হবে না। পাশাপাশি তিনি লরেন গোটলিয়েবকেও অনুপ্রাণিত করেন ভালো কাজ করার জন্য। 

 

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Today, I finally brought myself to look at my WhatsApp messages with Sushant over the years. I came across one conversation that broke my heart all over again, as it was filled with so much love, kindness, and true support for one another’s dreams! I felt a deep connection with Sushant as we were both “outsiders” and I looked up to him tremendously! I wanted to share this chat we had to remind everyone to walk, talk, and treat EVERYONE with this great amount of LOVE and SUPPORT as HE shared!!! I’m seeing so much hate going around. I do not want to tell anyone how to grieve, my process this week looked pretty ugly, BUT I think one of the BEST ways to honor his legacy is to BE THE BRIGHT, BEAUTIFUL, LOVING LIGHT that he exuded each and every day. The world is a better place because of Sushant’s humble heart. Let’s keep sharing his magic and be kind to one another 💖

A post shared by L A U R E N (@laurengottlieb) on Jun 22, 2020 at 1:40am PDT

 

সম্প্রতি লরেন গোটলিয়েব নিজের চ্যাট খুলতে গিয়ে পেলেন সুশান্তের সঙ্গে কথোপকথন, এবার তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে রেন গোটলিয়েব লিখছেন, চতুর্দিকে এখন যা পরিস্থিতি, তাতে শুরুই হিংসা-প্রতিহিংসা। এরই মাঝে খানিকটা স্বস্তি ও পজিটিভিটির কথা মনে করিয়ে দিলেন সুশান্ত। খুব ভালো মানুষ ছিলেন, সকলকে সন্মান দিয়ে কথা বলতেন, তাঁর শেষটা এক কথায় মেনে নেওয়া যায় না।