ইয়েস ব্যাঙ্ক নিয়ে সারা বিশ্বের লোক সমস্যায় পড়েছে। দেশজুড়ে ইয়েস ব্যাঙ্কের আমানতকারীরা মুশকিলে পড়েছেন। এবার এই সমস্যা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন বলি অভিনেত্রী পায়েল রোহতগি। অভিনেত্রী পায়েল রোহতগি বাবা শশাঙ্ক রোহতগি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই নির্দেশিকায় বিপাকে পড়েছেন। তার দু কোটি টাকা আটকে পড়েছে এই ইয়েস ব্যাঙ্কে। বাবার এই সমস্যার কথাই তুলে ধরছেন পায়েল। পায়েল জানিয়েছেন, 'তার বাবার বয়স ৭০ বছর। তিনি ক্যানসার সহ আরও বেশ কয়েকটি জটিল রোগে  আক্রান্ত। আর এই সংকটের কথা জানার পর থেকেই তিনি আরও বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসা ঠিক মতো চালাতে পারবেন কিনা এি নিয়ে সংকট দাঁনা বেঁধেছে।'

আরও পড়ুন-জেলে যেতে হতে পারে জয়া প্রদাকে, জারি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা...

পায়েল আরও জানিয়েছেন,তিনি এই সংকটের মধ্যেই তাঁর বাবার সমস্ত অর্থ অন্য ব্যাঙ্কে সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করে ফেলেছেন। এবং ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা আজ সকালে তাঁর সঞ্চিত অর্থ সংক্রান্ত চেক দেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজ ইয়েস ব্যাঙ্কে গিয়ে চেক নেওয়ার কাজ করার আগেই গতকাল সন্ধেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘোষণায় তিনি ও তাঁর বাবা হতবাক হয়ে পড়েছেন। পায়েল আরও জানিয়েছেন, ইয়েস ব্যাঙ্ক নিয়ে এক বছর ধরেই বিভিন্ন ইস্যুর কথা তিনি শুনে আসছিলেন। আর সেই কারণের জন্য তার অ্যাকাউন্ট অন্য ব্যাঙ্কে সরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইয়েস ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা তাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। যার ফলে অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নিয়ে যেতে দেরি হয়ে যায়।নিজের সমস্যার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ট্যাগ করে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন-প্রকাশ্যে শ্রীদেবীর কাছে বকা খেয়েছিলেন জাহ্নবী, জানুন কেন...

আরও পড়ুন-করোনার প্রকোপ এবার ফ্যাশন দুনিয়ায়, স্থগিত হল আইফা অ্যাওয়ার্ড...

কিছু না কিছু করে সবসময়েই নেটদুনিয়ায় কড়া সমালোচনার মুখে থাকেন পায়েল রোহতগি। কিছুদিন আগেই গান্ধী পরিবার নিয়ে বির্তকিত মন্তব্য করে আইনি হেফাজতে ছিলেন পায়েল।এছাড়াও টুইটারে বলিউডের প্রতিভাবান অভিনেত্রী জায়রা ওয়াসিমকে নিন্দনীয় ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন পায়েল। ২০১৭ সালের একটি শ্লীলতাহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পায়েলের এই আক্রমণ। সেই ঘটনাকে অবলম্বন করে পায়েল এমন একটি টুইট করেন যার নিশানা হয়েছিলেনবলিউডের প্রতিভাবান অভিনেত্রী জায়রা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ঝড় উঠেছিল। পায়েলের টুইটকে অনেকে ধর্মান্ধ এবং এক সংকীর্ণ মনের মানুষের টুইট বলে ব্যাখা করেছেন। স্পষ্ট কথায় বলতে গেলে পায়েলের টুইট ঘিরে সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন অসংখ্য নেটিজেন।