সুপার থার্টি ছবি এবার দিল্লিতে করমুক্ত মোট পাঁচ রাজ্যে কর মুক্ত এই ছবি দশ দিনেই একশো কোটির ক্লাবে জায়গা করেছে সুপার থার্টি হৃত্বিক রোশনের জীবনে এক নয়া মোড়

বিহার থেকেই শুরু হয়েছিল সুপার থার্টি ছবিকে করমুক্ত করার উদ্যোগ। সেই পথে একে একে হেঁটেছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও গুজরাট। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল দিল্লি। রাজধানীতেও করমুক্ত হল সুপার থার্ছি। ইতিমধ্যেই এই ছবি একশো কোটির ক্লাবে নাজের নাম লিখিয়েছে। এরই মধ্যে আবার দেশের মোটে পাঁচটি রাজ্যে তা করমুক্তও হেয় গেল। ফলে বলাই চলে হৃত্বিক রোশন অভিনীত এই ছবি তাঁর জীবনের এক নয়া মোড়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃ 'কহো না পেয়ার হ্যায়' ছবির কথা মনে পড়ছে হৃতিকের! হঠাৎ কী এমন হল

আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধামী ছাত্রছাত্রীদের সামর্থ হয় না বড় ইনস্টিটিউটে গিয়ে শিক্ষা অর্জণ করার। ফলেই আইআইটির দরজা অনেকের কাছেই অধরা থেকে যায়। অর্থের অভাবের জন্য তাঁরা নিজেদের গুঁটিয়ে নেয়, এবং বড় হওয়ার স্বপ্ন তাদের চোখ থেকে মুছে যায়। সেই পন্থাকেই ভেঙেছিলেন দক্ষিণের গণিতজ্ঞ আনন্দ কুমার। হাজারও বাধা অতিক্রম করে ত্রিশটি ছাত্রছাত্রীকে পৌঁছে দিয়েছিলেন আইআইটি-তে। সেই থেকেই ছবির নাম হয় সুপার থার্টি। আনন্দ কুমারের ভুমিকায় ছবিতে অনবদ্য হৃত্বিক রোশন। 

আরও পড়ুনঃ একশো কোটির ক্লাবে চতুর্থবার হৃত্বিক রোশন, দশ দিনেই বাজিমাত সুপার থার্টি-র

প্রথম দশ দিনেই এই ছবি বক্স অফিসে নিজের জায়গা পাকা করেনিয়েছে। একের পর এক রাজ্যে এই ছবি করমুক্ত হওয়ায় এবার দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোডিয়াও দিল্লিতে সুপার থার্টি-কে কর মুক্ত করে দিলেন। এই ছবি দেখে দেশের ছাত্রছাত্রীরা অনুপ্রাণিত হবেন। যারা মোটা অঙ্কের টাকার জন্য কোটিং সেন্টার থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন না, তাদের জীবনে আনন্দ কুমার নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন। তাঁর এই অবদানের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া উচিত। সেই মর্মেই করমুক্ত সুপার থার্টি।