প্রয়াত দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্পত্তির পরিমাণ ঠিক কত? তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের জন্য তিনি ঠিক কত টাকা মূল্যের সম্পত্তি রেখে গেলেন- তাই নিয়ে শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া। ২০১৭ সালের হিসেব অনুযায়ী প্রয়াত রানি তাঁর বংশধরদের জন্য ৪৪ বিলিয়ন মূল্যের সম্পদ রেখে গেছেন। 

প্রয়াত দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্পত্তির পরিমাণ ঠিক কত? তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের জন্য তিনি ঠিক কত টাকা মূল্যের সম্পত্তি রেখে গেলেন- তাই নিয়ে শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া। ২০১৭ সালের হিসেব অনুযায়ী প্রয়াত রানি তাঁর বংশধরদের জন্য ৪৪ বিলিয়ন মূল্যের সম্পদ রেখে গেছেন। প্রশ্ন এই সম্পত্তি কোথায় রয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ বছরের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়েছে। ৯৬ বছরে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। তবে রেখে গেছেন অনেক স্মৃতি। কিন্তু রানির মৃত্যুর পর একটাই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে- তিনি কতটা সম্পত্তির মালিক ছিলেন। বা তাঁর উত্তরসুরী রাজা দ্বিতীয় চার্লসের জন্য তিনি ঠিক কী পরিমান সম্পত্তি রেখে গেছেন। যদিও ব্রিটিন আইন অনুযায়ী এই তথ্য সরকার প্রকাশ করতে পারে না। কিন্তু বেশ কয়েকটি সংস্থা বিষয়টি নিয়ে চর্চা করেছে। 

ব্র্যান্জ ভ্যালুয়েথন কনসালটেন্সি ফার্ম ব্র্যান্জ ফাইন্যান্সের মতে ২০১৭ সালে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৪ বিলিয়ন। ফোবর্সের ২০২১ সালের হিসেব অনুযায়ী রানির ব্যক্তিগত সম্পদই প্রায় ৫০০ মিলিয়নের কাছাকাছি। ফোবর্সের অনুমান শিল্প , গয়না, আর রিয়েল এসস্টেট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতেন রানি । তবে রানির প্রকৃত সম্পত্তির পরিমাণ কোনও দিনই প্রকাশ্য়ে আনা হয়নি। গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৭০ সালে রানি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ জনগণের কাছে গোপন রাখার জন্য একটি আইন চালু করার দাবি করেছিলেন। 

সিংহাসনে বসার ৭০ বছর পর রানি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য যে সম্পদ রেখে গেছেন তার মধ্যে রয়েছে একটি দুর্গ। তবে রানির আয়ের উৎস কি বা তাঁর সম্পদ কোথায় খরচ হয় তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স দাবি করছেন তারা ২০১৭ সাল থেকে ট্র্যাকিং করতে শুরু করেছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত দেখা গেছে রাজপরিবের সম্পত্তি উত্তোরোক্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রিয়েল এস্টেট, গয়নাও। 


২০২২-২০২৩ সালের জন্য সার্বভৌম অনুদান ছিল মাত্র ১০০ মিলিয়নের নিচে। যা ক্রাউন এস্টেট থেকে লাভের উপর ভিত্তি করে করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে রানি ক্রাউন এস্টেট লাভের ২৫ শতাংশ পেতে শুরু করেছেন। এই অর্থ বাকিংহাম প্যালেসের সংস্কারের জন্য প্রদান করা হয়েছিল। যা ১০ বছরের একটি প্রকল্প। সংস্কারের কাজ থেকে বেঁচে যাওয়া অর্থ ব্রিটিশ সরকারের কাছে চলে যাবে। ক্রাইন এস্টেরের সম্পদের পরিমাণ ২৪ বিলিয়ন ডলার। 

রাজপরিবারের সম্পদের একটি তালিকাঃ ক্রাউন এস্টল ১৯.৫ বিলিয়ন 
বাকিংহাম প্যালেস ৪.৯ বিলিয়ন
দ্যা ডাচি এফ কর্নয়ওয়াল ১.৩ বিলিয়ন
কেনসিংটন প্যালেস ৬৩০ মিলিয়ন
দ্যা ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার ৭৪৮ মিলিয়ন
কেনসিংটন প্যালেস ৬৩০ মিলিয়ন 
ক্রাউম এস্টেট স্কটল্যান্ড ৫৯২ মিলিয়ন 


করদাতাদের থেকে রানি প্রচুর অর্থ পেয়েছে। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী সার্বভৌম অনুদান ২০২১-২২ ছিল ৮৬.৩ মিলিয়ন পাউন্ড। ফোবর্সের রিপোর্ট অনুযায়ী রানির ব্যক্তিগত রিয়েল এস্টেটের মধ্যে দুটি দুর্গ রয়েছে- স্যান্ড্রিংহাম হাউস ও বালমোরাল ক্যাসেল।