জাঙ্ক ফুডের নাম শুনলে জিভে জল আসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সসেজ, বেকন ইত্যাদি লোভনীয় খাবার বর্তমান প্রজন্মের কাছে যেন একটা আশক্তিতে পরিণত হয়েছে। খিদে পেলেই জাঙ্ক ফুডের দিকে ঝোঁকেন এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বই কমছে না। কিন্তু সবথেকে বড় সমস্যা হল এই মারাত্মক অভ্যেসের বশবর্তী হয়ে শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি ডেকে নিয়ে আসা হচ্ছে অনায়াসেই। 

সম্প্রতি এইসব জাঙ্কফুড খাওয়ার কারণেই অন্ধত্ব ডেকে আনল ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। গত কয়েক বছর ধরে এইসব খাবারেই অভ্যস্থ হয়ে পড়েছিল সেই কিশোর। আর আচমকাই গত দুই বছর ধরে চোখের সমস্যা শুরু হয় তার। চিকিৎসা করে দেখা যায় যে, তার এই চোখের সমস্যার জন্যা দায়ি তার খাদ্যাভ্যাস। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই স্থানীয় দোকান থেকেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, প্রসেসড হ্যাম স্লাইস, সসেজ ইত্যাদি খাবার সে কিনে খেত। 

চিকিৎসকরা বলেন, এই ধরণের জাঙ্ক খাবার সাধারণত ওবেসিটি, হার্টের সমস্যা, ক্যান্সারের মতো সমস্যা দেখা দেওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে ব্রিটেনের এই যুবক খুব ছোট থেকেই এইধরণের জাঙ্ক ফুড খেলেও তার খুব বেশি কোনও সমস্যা চেখে না পড়ায় তাকে কোনও বিশেষ ওষুধ দেওয়া হয়নি। 

ফটোসেশনে আলিশান সোফা নয়, মোদী বেছে নিলেন সাধারণ চেয়ার, প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা

ফের আক্রান্ত কাশ্মীরি যুবক, সালোয়ার কামিজ পরিয়ে চলল বেধড়ক মার

দৃষ্টি হারিয়েও ছাত্রদের মনে জ্বালাচ্ছেন শিক্ষার আলো, সত্তরোর্ধ শিক্ষককে সংবর্ধনা দিয়ে সহযোগিতা পুলিশের

তবে ধীরে ধীরে চিকিৎসার মাধ্যমে ধরা পড়ে তার শরীরে ভিটামিন বি-১২-এর মাত্রা খুবই কম ছিল, পাশাপাশি মাইক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়াতেও ভুগছিল সে। এরপর ধীরে ধীরে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কানে কম শোনার এবং ধীরে ধীরে দৃষ্টি সংক্রান্ত জটিলতার সমস্যা দেখা দেয়। গত দুবছর ধরে একটু একটু করে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার পর তাকে অবশেষে অন্ধ বলেই ঘোষণা করা হয়।