বালুরঘাটের পর এবার বর্ধমান। ফের বাড়িতেই ঘটল বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন এক বৃদ্ধা। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বর্ধমানের কাটোয়ায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বোমা থেকেই  বিস্ফোরণ ঘটেছে।  কিন্তু বাড়িতে বোমা এল কী করে? তা নিয়ে ধন্দে তদন্তকারীরা।

কাটোয়ার কেতুগ্রামের বারান্দা গ্রামে ছেলের সঙ্গে থাকেন পদ্মা মাঝি নামে এক বৃদ্ধা। শনিবার রাতে যখন বিস্ফোরণ ঘটে, তখন ওই বৃদ্ধার ছেলে বাড়িতে ছিলেন না। ঘরে একাই ছিলেন পদ্মা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাত দশটা নাগাদ আচমকাই  বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকায়।  বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, বাড়িটি কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।  ঘরের দরজাটি ভেঙে কয়েক ফুট দূরে ধানের ঘোলায় ঢুকে যায়! তছনছ হয়ে যায় আসবাবপত্রও। ঘটনার আকস্মিকতা হতবাক হয়ে যান সকলেই, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সূত্রের খবর, পদ্মা মাঝির বাড়ি থেকে তদন্তকারীরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরাও।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ঘরে বোমা মজুত করা ছিল। তা থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে।  তবে ঘরে থাকা কোনও রাসায়নিক পদার্থ থেকে বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। এদিকে বাড়ির মালিক ও পদ্মা মাঝির ছেলে শৈলেনের অভিযোগ, রাতে তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করে নাকি বোমা ছোঁড়া হয়েছিল! গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: হাতির তাণ্ডবে ফসলের ক্ষতি, হুলা পার্টির সদস্য়দের বেধড়ক মার চাষিদের

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘরের দরজা ভেঙে যায়, আগুন লেগে যায় পাশের একটি ঘরেও। গুরুতর আহত হন ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী। চিকিৎসার জন্য কলকাতার আনার পথে মারাও যান তিনি। এদিকে আবার বিস্ফোরণের পর ঘরের ভিতর ফ্রিজ, গ্যাসের সিলিন্ডার সবই অক্ষত ছিল! তেমনটাই দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ।