2026 West Bengal Assembly Elections: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই মোতায়েন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পরেও বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখা হয়েছে। তবে এবার স্কুল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সরানো হচ্ছে।
KNOW
Central Force Relocation: পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অন্যত্র সরানো হচ্ছে। এই নির্দেশ দিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদলে অন্য কোনও সরকারি ভবনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, জেলা শাসক এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়ে বিভিন্ন স্কুল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাতে বলা হয়েছে। গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুল খুললেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এখনও থাকায় বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছে। বিভিন্ন জেলা স্কুল পরিদর্শকরা জানিয়েছেন, মোট ১৬৫টি স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। এর ফলে নিয়মিত পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে। এই কারণেই স্কুল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি পরীক্ষাতেও বাধা
স্কুলগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় যেমন পড়াশোনার ক্ষেত্রে বাধা পাচ্ছে পড়ুয়ারা। এমনকী, তারা পরীক্ষাও দিতে পারছে না। ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের সব স্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির সামেটিভ পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু সব স্কুলে এই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ, ততদিনে অনেক স্কুলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে গিয়েছেন। পরীক্ষা দিতে এসে পড়ুয়াদের স্কুল থেকে ফিরে যেতেও হয়েছে। এই কারণেই স্কুলের বদলে অন্য কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রাখার নির্দেশ দেওয়ার দাবি উঠছিল। এতদিন পর সেই দাবি মেনে নিল রাজ্য সরকার। সব স্কুলেই যাতে সমানভাবে পড়াশোনা ও পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যায়, তার জন্যই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যে কতদিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী?
রাজ্যে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের পর এক মাসেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রেখে দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এখন আর রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যা খুব বেশি নেই। এই কারণে কতদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রাজ্যে রেখে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


