জেলে দলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েও রেহাই পেলেন না এক বিজেপি নেতা।  বর্ধমান শহরে জেল থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় আক্রান্ত ভর্তি হাসপাতালে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছেন  বিজেপির স্থানীয় নেতারা।

আক্রান্ত বিজেপি নেতার নাম শ্যামল কুমার রায়। তিনি দলের যুব মোর্চার সভাপতি। সোমবার সকালে যখন বর্ধমান জেলা সংশোধানাগারে দলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন শ্যামল, তখন জেলের কাছেই তিরিশ জন দুষ্কৃতী তাঁর উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই বিজেপি নেতাকে রাস্তার ফেলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বর্ধমান শহরে জেলখানা মোড়ে।  গুরুতর আহত অবস্থায় বিজেপি-এর যুব মোর্চার সভাপতি উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। 

আরও পড়ুন: জেলে বসেই তোলা চেয়ে হুমকি , পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন লিঙ্কম্যান

কিন্তু দিনেদুপুরে রাস্তায় যুব মোর্চার সভাপতি শ্যামল কুমার রায়ের উপর কারা হামলা চালাল? তৃণমূলের দিকেই অভিযোগ আঙুল তুলেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। যথারীতি অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে বিজেপি-এর একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বর্ধমানের খণ্ডঘোষ এলাকায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিছিলে হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করেন গেরুয়াশিবিরের কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশকর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে।  তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে সোমবার জেলে যাচ্ছিলেন বিজেপি-এর যুব মোর্চা সভাপতি শ্যামল কুমার রায়।