বর্ধমানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভে বিদায়ী কাউন্সিলরের রাখঢাক না করেই পোস্ট দিলেন ফেসবুকে শোরগোল পড়ে দিয়েছে গুসকরায়

পত্রলেখা বসু চন্দ্র, বর্ধমান: দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিতর্ক জড়িয়েছেন বহুবার। নেতৃত্বের প্রতি বীতশ্রদ্ধা হয়ে শেষপর্যন্ত কি দল ছাড়লেন? তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলরের ফেসবুকে পোস্টে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বর্ধমানের গুসকরা শহরে। জল্পনা তুঙ্গে শাসকদলের অন্দরেও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: হেমতাবাদের বিধায়কের মৃত্যুর তদন্ত, আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল সিআইডি

বর্ধমানের গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর তিনি। এলাকায় তৃণমূলের দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগে দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর করেন তিনি। নিত্যানন্দের অভিযোগ, পূর্ব বর্ধমানেরই আউসগ্রাম এর ভালকি অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি অরূপ মিদ্যার নামে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরপর অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে পাল্টা এফআইআর করেন অভিযুক্তও। এরইমধ্যে আবার দলত্যাগের কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ী কাউন্সিলর। তিনি লিখেছেন, 'আমি নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়, গুসকরা বাধর্ক্যজনিত কারণে তৃণমূল ত্যাগ করলাম। আমার সাথে কেউ রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করবেন না প্লিজ।' এই পোস্টকে ঘিরেই শোরগোল পড়ে দিয়েছে রাজনীতিক মহলে।

আরও পড়ুন: পারিবারিক অশান্তির বলি, দুধের শিশুকে আলমারিতে বন্দি করে 'খুন' জেঠিমার

কেন এমন পোস্ট করলেন? তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'দলে যোগ্য সম্মান পাচ্ছি না, প্রতিনিয়ত অপমানিত হতে হচ্ছে। নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আমাকে কোনও মিটিং-এ ডাকে না। দল যখন আমাদের মতো বৃদ্ধকে চায় না, তখন সম্মান থাকতে চলে যাওয়াই ভালো।' তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি দলের রাজ্য় সভাপতি সুব্রত বক্সি-কে এসএসএম করে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাহলে কি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন? সেই সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছেন নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়।