আগ্নেয়াস্ত্র ,বোমা ও গুলি সঙ্গে নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে  বের হওয়ার অভিযোগে  ৪ বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ  মহিষগড়িয়া এলাকা থেকে তাঁদের  গ্রেফতার করেছে । এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে । 

'তাপসের গ্রেফতারিতে কেন ধরনা দেননি', মমতার বিরুদ্ধে মৃতদেহ রাজনীতির অভিযোগ বিরোধীদের

জানা গেছে, ধৃতরা হলেন আশিষ দাস , মহাদেব সোরেন ওরফে কালি,বাপন মালিক এবং সুকুমার রায় ওরফে সুকো । এদের সকলেরই বাড়ি  হুগলির ধনিয়াখালি থানা এলাকায়। বর্ধমান সদর এসডিপিও আমিনুল ইসলাম সেখ জানিয়েছেন, রাত ১ টা নাগাদ খানপুর  রোড হয়ে জামালপুরের দিকে একটি মারুতি গাড়ি করে ৬ যুবক আসছিল। রাতে সড়কপথে টহলদারিতে থাকা  জামালপুর থানার পুলিশকে  দেখে ওই গাড়িটি  ঘুরিয়ে অন্য পথ ধরে পালানোর চেষ্টা করে ।  সন্দেহ হওয়ায় জামালপুর থানার টহলদারি পুলিশ কর্মীরা ওই গাড়িটির পথ আটকায় । তারই মধ্যে দু’জন গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। গাড়ির চার আরোহীকে পুলিশ  ধরে ফেলে।  তল্লাশি চালাতেই ওই গাড়ি থেকে  উদ্ধার হয় আগ্নেআস্ত্র , বোমা , গুলি ও অন্য অস্ত্রশস্ত্র ।   

ভিডিও দেখে সটান হাজির স্টিভ, মুচিপাড়ার ক্ষুদে বিস্ময়-কে বানাবেন বড় ক্রিকেটার

সন্দেহ করা হচ্ছে  তারা ডাকাতির উদ্দেশ্যে  বের হয়েছিল । তল্লাশিতে ওই গাড়ি থেকে মিলেছে একটি পাইপগান , ৩ রাউণ্ড কার্তুজ , ৪ টি তাজা বোম , ১ বড়ো তরোয়াল এবং ১টি ধনুক ও ১১টি তীর  । বুধবার চার ধৃতকে  বর্ধমান  আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের ৪ দিন পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন ।  পুলিশ পলাতক দুজনের খোঁজ শুরু করেছে।

'আমার মায়ের মৃত্যুর জন্য রাজ্য সরকার দায়ী', বিস্ফোরক অভিযোগ কুণাল ঘোষের

ধনিয়াখালির বিজেপি নেতা সন্দীপ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই চার জনকে পুলিশ তৃণমূল নেতাদের কথা মতো মিথ্যা মামলা ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। কেউই অপরাধ জগৎতের লোক নয় । আশীষ দাস বিজেপির মণ্ডল সভাপতি , বাপন মালিক বিজেপির যুব সভাপতি । মহাদেব সোরেন ও সুকুমার রায় ধনিয়াখালির বিজেপি কার্যকর্তা ।