'সম্পর্কের টানাপোড়েনে' আত্মঘাতী যুবক। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে খোদ জেলা পরিষদের সভাধিপতির। তাঁর বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ মৃতের পরিবার। শোরগোল পড়েছে বর্ধমানে। 

আরও পড়ুন: অবশেষে স্বপ্নপূরণ, রায়গঞ্জ থেকে কলকাতা পর্যন্ত 'সকালের ট্রেনে'র যাত্রা শুরু

আরও পড়ুন: দিল্লির ঘটনা থেকে শিক্ষা, চন্দননগরে রুটমার্চ সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর

বর্ধমানের খণ্ডঘোষে দুবরাজহাট গ্রামে থাকতেন পবিত্র ঘোষ। ১৩ জানুয়ারি রাতে বাড়িতেই কীটনাশক খান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরিবারের লোকেদের দাবি, পবিত্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়ার। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। মৃতের মা কল্পনা ঘোষের বক্তব্য, গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ছেলের উপর রীতিমতো মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চলছিল। বস্তুত, যেদিন আত্মহত্যা করেন, তার আগের দিন বর্ধমানে ডেকে নিয়ে তাঁকে মারধরও করা হয়েছিল। বাড়ি ফিরে কান্নায় ভেঙে পড়েন পবিত্র এবং রাতে কীটনাশক খান। এমনকী, সুইসাইড নোটেও নাকি সবটা লিখেও গিয়েছেন ওই যুবক!

 

তাহলে তখন থানায় অভিযোগ করেননি কেন? মৃতের পরিবারের তরফে আইনজীবী স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, খণ্ডঘোষ থানা, এমনকী পুলিশ সুপারের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। যদিও তাঁদের কাছে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে দাবি করেছেন বর্ধমান জেলার এক পুলিশ আধিকারিক। কী বলছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া? আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি তিনি। সভাধিপতির বক্তব্য, 'এখনও আইনি নোটিশ পাইনি। পেলে পদক্ষেপ করব।' দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ অবশ্য খারিজ করে দিয়েছে তৃণমুল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব।