চিনা অ্যাপল স্টোর থেকে প্রায় ৪৫০০ গেমস সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন মাত্র দুই দিনে এই অ্যাপ স্টোর থেকে ৩,০০০ এর বেশি গেমস সরিয়ে দেওয়া হয়েছে চাইনিজ অ্যাপ স্টোর থেকে ৪৫০০ এরও বেশি গেম সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছে অ্যাপল গেম ডেভেলপারদের চিন নিয়ন্ত্রকদের থেকে নতুন নিয়মের অনুমোদন নিতে হবে

অ্যাপল ইন্টারনেট পলিসির আওতায় থাকা চিনা অ্যাপল স্টোর থেকে প্রায় ৪৫০০ গেমস সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন। টেকনোডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে মাত্র দুই দিনে এই অ্যাপ স্টোর থেকে ৩,০০০ এর বেশি গেমস সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১ জুলাই থেকে চিন সরকার জারি করা ইন্টারনেট পলিসির চাপের কারণে অ্যাপলকে তার চাইনিজ অ্যাপ স্টোর থেকে ৪৫০০ এরও বেশি গেম সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চিনের অ্যাপল অ্যাপ স্টোরটিতে অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপলোড করার আগে গেম ডেভেলপারদের চিন নিয়ন্ত্রকদের থেকে নতুন নিয়মের অনুমোদন নিতে হবে। চিন এক বছরে প্রায় ১৫০০ গেমস লাইসেন্স অনুমোদন করে। অ্যাপলের বিপণন এর ব্যবস্থাপক বা মার্কেটিং ম্যানেজার টড কুহন্স বলেছেন যে, "১ জুলাই থেকে চিন সরকারের নতুন নিয়মের সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রতিদিন আমাদের স্টোর থেকে অনেক গেম অ্যাপস সরিয়ে দিচ্ছি। চিন এক বছরে প্রায় ১৫০০ গেম লাইসেন্স অনুমোদন করে। অনুমোদন দেওয়া এই গেমগুলি অ্যাপলিকেশনে আপলোড হতে উপলব্ধ হতে প্রায় ৬ থেকে ১২ মাস সময় নেয়। তাই পুনরায় এই গেমসগুলো আবার অ্যাপ স্টোরে পেতে বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হব গেমারদের।"

 ইতিমধ্যে অ্যাপেল তাদের স্টোর থেকে ১ জুলাই থেকে শুরু করে প্রায় ১৫৭১ টি গেমস, ২ জুলাই ১৮০৫ এবং ৩ জুলাই প্রায় ১২৭৬ টি গেমস এর অ্যাপস সরিয়েছে। এটি অনুমান করা হচ্ছে যে মোট ২০,০০০ টিরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন চিনের নতুন ইন্টারনেট পলিসির নিষেধাজ্ঞাগুলির দ্বারা সমস্যায় পড়তে পারে। চিনের অ্যাপল স্টোরে যে প্রায় ৬০,০০০ এর মত গেমস হোস্ট করছে তা ব্যবহারকারীরা এই সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার জন্য তাদের কিনতে হবে বলে জানা গিয়েছে। 

সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুসারে, অ্যাপলের বৃহত্তম অ্যাপ স্টোরের বাজার চিন। কারণ চিন থেকে অ্যাপল বছরে প্রায় ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রয়ের রেকর্ড করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি বছরে ১৫.৪ বিলিয়ন ডলার লাভ করে। তাই নতুন এই নিয়ম জারি করার ফলে কীভাবে অ্যাপলের চিনের বাজার থেকে লাভ অর্জন করবে, এখনও তা দেখার বিষয়।