Stock Market News: স্মার্ট বিটা ফান্ড হলো একটি স্টক বিনিয়োগকারী ফান্ড। এই ফান্ড গুলি ঝুঁকি এবং খরচ কমাতে পারে। তাই ফান্ড গুলি যথেষ্ট মার্কেট বাড়ছে।

Stock Market News: স্মার্ট বিটা’ হলো এক ধরনের বিনিয়োগ কৌশল যেখানে বাজার সূচককে অন্ধভাবে অনুকরণ না করে নির্দিষ্ট কিছু কারণ (যেমন মান, গতি, অস্থিরতা, বা গুণমান) অনুযায়ী শেয়ার নির্বাচন করা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই পদ্ধতিগত, নিয়ম-ভিত্তিক কৌশলটি প্যাসিভ ফান্ডগুলির তুলনায় ভালো রিটার্ন দিতে পারে এবং সক্রিয় ফান্ডগুলির ঝুঁকি ও খরচ কমাতে পারে, তাই এটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

তাদের পরোক্ষভাবে পরিচালিত ফান্ড হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়

আপনি ইতিমধ্যেই ইন্ডেক্স ফান্ড সম্পর্কে শুনেছেন। এগুলি হল এমন একটি ফান্ড যা ইন্ডেক্সের মতো একই স্টকে বিনিয়োগ করে একটি ইন্ডেক্স ট্র্যাক করে, যা প্রায় একই অনুপাতেও বিনিয়োগ করে। এটি করার মাধ্যমে তারা ইন্ডেক্সের কর্মদক্ষতাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করে। ফলস্বরূপ, তাদের পরোক্ষভাবে পরিচালিত ফান্ড হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

এর বিপরীতে, স্মার্ট বিটা ফান্ডগুলি ইন্ডেক্সের মতো স্টকের একই অনুপাত অনুসরণ করে না, যদিও সেগুলি একই স্টকে বিনিয়োগ করে। এর কারণ হল, যদিও তারা ইন্ডেক্সের মতো একই স্টকে বিনিয়োগ করেন, তবে তারা তাদের বর্তমান শর্তগুলির পরিবর্তে তাদের ভবিষ্যতের সম্ভাবনা অনুযায়ী স্টকের অনুপাত বেছে নিয়ে ইন্ডেক্সটিকে আউটপারফর্ম করতে চান। ফলস্বরূপ, এগুলি সাধারণ ইন্ডেক্স ফান্ডের তুলনায় বেশি সক্রিয়ভাবে ম্যানেজ করা ফান্ড হিসাবে দেখা যায়।

এবার আসা যাক এই স্মার্ট বিটা কী?

* নিয়ম-ভিত্তিক পদ্ধতি:

এটি একটি পূর্বনির্ধারিত নিয়ম মেনে শেয়ার নির্বাচন করে, যেমন নির্দিষ্ট সংখ্যক শেয়ারের মধ্যে যারা ভালো মান বা বেশি গতি দেখাচ্ছে, এমন শেয়ার বেছে নেওয়া।

* প্যাসিভ ও অ্যাক্টিভ পদ্ধতির মিশ্রণ:

এটি প্যাসিভ বিনিয়োগের কম খরচ ও সাধারণ কৌশল এবং সক্রিয় বিনিয়োগের নির্দিষ্ট কারণগুলো বিবেচনা করে ভালো রিটার্ন অর্জনের সুবিধা একসাথে নিয়ে আসে।

এই স্কিম টা কীভাবে কাজ করে?

* বাজার সূচককে অতিক্রম করা:

স্মার্ট বিটা কৌশলগুলো প্রচলিত বাজার মূলধন-ভিত্তিক সূচক (যেমন সেনসেক্স বা নিফটি) থেকে ভালো পারফর্ম করার লক্ষ্য রাখে।

* নির্দিষ্ট কারণ নির্বাচন:

ফান্ডের ওজন নির্ধারিত হয় বাজার মূলধনের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং কিছু নির্দিষ্ট ফ্যাক্টর বা ‘গুণ’ এর ওপর ভিত্তি করে, যেমন –

মান : কম মূল্যে ভালো শেয়ার খোঁজা।

গতি : যে শেয়ারগুলো ভালো করছে এবং সেগুলোর আরও ভালো করার সম্ভাবনা আছে, তাদের বেছে নেওয়া।

অস্থিরতা : কম অস্থিরতা সম্পন্ন শেয়ার নির্বাচন করা।

গুণমান : ভালো লাভজনকতা ও শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তিযুক্ত কোম্পানিগুলি নির্বাচন করা।

এখন জানা যাক কেন এটি এত জনপ্রিয়?

* উন্নত রিটার্ন:

নির্দিষ্ট ফ্যাক্টরগুলির ওপর ভিত্তি করে স্টক নির্বাচনের ফলে এটি ভালো রিটার্ন দিতে পারে।

* কম খরচ:

এটি সক্রিয় ফান্ডের তুলনায় কম খরচে ভালো রিটার্ন দেওয়ার চেষ্টা করে।

* পদ্ধতিগত নির্বাচন:

একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে স্টক বাছাই করা হয় বলে এটি মানবীয় ভুল বা আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত এড়াতে সাহায্য করে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।