Anil Ambani Reliance Group: সিবিআই-এর এফআইআর অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে রিলায়্যান্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ইপিএফও। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পাওনা অর্থ মেটাতে ব্যর্থ হয় আম্বানির সংস্থা।
Anil Ambani Reliance Group: শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। রিলায়্যান্স ক্যাপিটাল (রিল-ক্যাপ) এবং তার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনিলের বিরুদ্ধে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের (ইপিএফও) ১৮১৬.২২ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে সিবিআই-এর তরফে (Anil Ambani latest news)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ইপিএফও-য় প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক গত ২১ জুলাই যে অভিযোগ দায়ের করে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ কার্যত, অস্বীকার করেছেন অনিল আম্বানির মুখপাত্র। এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি (Anil Ambani CBI case)।
প্রভিডেন্ট ফান্ডে ১৮১৬ কোটি টাকার জালিয়াতি করেছেন অনিল আম্বানি
সিবিআই-এর এফআইআর অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে রিলায়্যান্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ইপিএফও। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পাওনা অর্থ মেটাতে ব্যর্থ হয় আম্বানির সংস্থা। রিলায়্যান্স ক্যাপিটাল পরে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)-এর অনুমোদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইপিএফও ১,৪৯২ কোটি টাকা ফেরত পায়। তবে মূল অঙ্কের ১,০০৭ কোটি টাকা এবং সুদের ৮০৯ কোটি টাকা, সবমিলিয়ে মোট ১,৮১৬ কোটি টাকা বকেয়া তখনও থেকে গেছিল। সেই অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, এই বিনিয়োগের জেরে ইপিএফও-র যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং পরে এই লগ্নি সংক্রান্ত জালিয়াতির যে প্রমাণ পাওয়া গেছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
মামলা করল সিবিআই
অন্যদিকে, আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র কাছ থেকে এই খবর জানার পরেই শ্রম মন্ত্রক অভিযোগটি দায়ের করে। ইডি জানিয়েছে, তারা যে ডকুমেন্ট বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত, রিল-ক্যাপ এবং সংস্থা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা একাধিক প্রতারণামূলক লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। তবে অনিল আম্বানির মুখপাত্র দাবি করেছেন, সিবিআই-এর দায়ের করা এফআইআর-টি মূলত রিলায়্যান্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। অনিল আম্বানি ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর মাস অবধি রিলায়্যান্স ক্যাপিটালের নন-এগজ়িকিউটিভ ডিরেক্টর বা চেয়ারম্যান ছিলেন। এরপর ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই বোর্ডটি বাতিল করে দিয়ে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করে। এদিকে অনিল আম্বানি এই যাবতীয় বেনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন এবং আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

