EPFO Auto Transfer Rule: প্রথম পর্যায়ে, প্রায় ৮.১ লক্ষ নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট, যেগুলিতে প্রায় ৫,২০০ কোটি টাকা রয়েছে, সেগুলির প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্য হল, সময় কমিয়ে টাকা তোলার প্রক্রিয়া আরও সহজ করে তোলা এবং গ্রাহকরা যাতে দীর্ঘ কোনও প্রতীক্ষা ছাড়াই তাদের টাকা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করা।
EPFO Auto Transfer Rule: অব্যবহৃত এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফ অ্যাকাউন্টগুলি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। কারণ, বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার কোটি টাকা দাবিহীন অবস্থায় থেকে যাচ্ছে (epf account transfer process)। এই সমস্যা সমাধানের জন্য, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) একটি পাইলট প্রোজেক্ট শুরু করেছে। যার মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় ইপিএফ ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরাসরি আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে (epfo auto transfer rule)।
প্রথম পর্যায়ে, প্রায় ৮.১ লক্ষ নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট, যেগুলিতে প্রায় ৫,২০০ কোটি টাকা রয়েছে, সেগুলির প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্য হল, সময় কমিয়ে টাকা তোলার প্রক্রিয়া আরও সহজ করে তোলা এবং গ্রাহকরা যাতে দীর্ঘ কোনও প্রতীক্ষা ছাড়াই তাদের টাকা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করা।
নিষ্ক্রিয় প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে আপনার টাকা সরাসরি এবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে?
এইরকম বহু নিষ্ক্রিয় ইপিএফ অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেগুলিতে দীর্ঘ সময় ধরে কোনও টাকাই জমা পড়েনি। সাধারণত কোনো কর্মচারী চাকরি ছাড়ার পর, যদি টাকাটি সুরক্ষিত থাকে এবং সেই কর্মচারীরই থাকে, তবুও এটি প্রায়শই অব্যবহৃত থেকে যায়। এটা একটা বড় সমস্যা।
সাধারণত, এমনটা ঘটে যখন কোনও কর্মী চাকরি পরিবর্তন করেন। কিন্তু তাদের ইপিএফ ব্যালেন্স নতুন সংস্থার কাছে কাছে স্থানান্তর করতে ব্যর্থ হন অথবা চাকরি ছাড়ার পর তাদের টাকা তোলেন না। অনেকক্ষেত্রে, ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময়, একাধিক ইপিএফ অ্যাকাউন্টও খুলে ফেলেন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিষ্ক্রিয় বা ভুলে যাওয়া ব্যালেন্সের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
একাধিক পিএফ অ্যাকাউন্টে সমস্যা?
ফলে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ এই অ্যাকাউন্টগুলির কথা ভুলে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি তারা একাধিক কোম্পানিতে কাজ করে থাকেন। কিন্তু নতুন এই পাইলট সিস্টেমের অধীনে, EPFO কিছু ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল ক্লেইমের প্রয়োজনীয়তাকে দূর করে প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চাইছে। এই সিস্টেমটি শুধুমাত্র তখনই কাজ করবে, যখন কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করবেন গ্রাহকরা।
EPF অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই আধার কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক করা থাকতে হবে, KYC-এর বিবরণ সম্পূর্ণ এবং ভেরিফাইড হতে হবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি সঠিকভাবে লিঙ্ক করা থাকতে হবে। এই শর্তগুলি পূরণ হয়ে গেলে, কোনো ক্লেইম ফাইল করা ছাড়াই EPF ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হতে পারে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


