জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য ফের ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেননা, সোমবারের জিএসটি কাউন্সিল বৈঠকে রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্তে এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি স্পষ্ট অবস্থানে আসতে পারেনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ সেস বজায় থাকবে। 

আরও পড়ুন-হাথরস-কাণ্ডে রণংদেহি উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, বিরোধী নেতা-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

সোমবারের জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে ক্ষুদ্র করদাতাদের জন্য স্বস্তি দিয়েছে জিএসটি কাউন্সিল। বদল আনা হয়েছে জিএসটি নিয়মে। এবার থেকে প্রতিমাসের বদলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে রিটার্ন ফাইল করতে পারবেন করদাতারা। ফলে রিটার্ন ফাইলের সংখ্যা চব্বিশ থেকে কমে হবে আট-এ। এদিনের জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন-সব হুমকির জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত ভারত, চিনকে হুঁশিয়ারী ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধানের

অন্যদিকে, জিএসটি ঘাটতি মেটানোর জন্য দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই প্রস্তাবে আগেই বিরোধিতা করে সরব হয়েছিল বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি। সোমবারের জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকেও তার যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। যদিও এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট অবস্থান জানাননি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তবে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে গাড়ি, কয়লা এবং তরল পানীয় দ্রব্যের ক্ষতিপূরণ বাবদ জিএসটি ঘাটতি প্রদানের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ সেস বজায় থাকবে। পাশাপাশি, কুড়ি হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বাবদ সেস রাজ্যগুলিকে বন্টন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন-নৌ-সেনায় শক্তিবৃদ্ধি ভারতের, মিশাইল এবং ট্রর্পেডো দুই ভাবে হামলা চালাতে সক্ষম'SMART'

করোনার থাবায় লকডাউনের জেরে চলতি অর্থবর্ষে জিএসটি আদায় তিন লক্ষ কোটি টাকা কম হতে পারে। এদিকে, জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস আদায়ের দাবি জানিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি। এই অবস্থায় জিএসটি ঘাটতি নিয়ে আগামী ১২ অক্টোবর ফের বসছে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক।