oil price Hike: সোমবার সকাল ১০টা, ভারতীয় সময় সন্দ্য়ে ৬টা ৩০ মিনিট থেকেই ইরানের সমস্ত বন্ধ বন্দরে অবরোধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড। এই বিবৃতি জারির পরেই তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়েছে। 

ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ। আমেরিকা আর ইরান দুই দেশেরই প্রতিনিধি দল ফিরে গেছে দেশে। এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প ইরানের সব বন্দরেই অবরোধের তোড়জোড় শুরু করেছে। এই খবর সামনে আসতেই এক ধাক্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৮% বেড়ে গেল। সোমবার থেকেই ব্য়ারেল প্রতি ক্রুড অয়েলের দাম ১০২.৮০ ডলার। আগামী দিনে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মার্কিন হুঁশিয়ারি

সোমবার সকাল ১০টা, ভারতীয় সময় সন্দ্য়ে ৬টা ৩০ মিনিট থেকেই ইরানের সমস্ত বন্ধ বন্দরে অবরোধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড। বিবৃতি জারি করে স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই সময়ের পরে শত্রু দেশ বা মিত্র দেশ কোনও জাহাজই আর ইরানে ঢুকতে বের হতে পারবে না। এর পর থেকেই হুহু করে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

তেলের দাম বৃদ্ধি

ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সে তেলের দাম ৭.০৬ ডলার বা ৭.৯৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০২.৮০ ডলার হয়েছে। শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় দাম ০.৭৫ শতাংশ কমেছিল আমেরিকা প্রধান ক্রুড অয়েলের বেঞ্চমাত্র ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটেও তেলের দাম ৮.৩১ ডলার বা ৮.৬১ শতাংশ বেড়ছ ব্যারেল প্রতি তেলের দাম পৌঁছেছে ১০৪.৮৮ ডলারে।

তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। বিনিয়োগ বিশ্লেষক সংস্থা এসএসটি মারকুইট -এর এনার্জি রিসার্চের প্রধান সেল কেভোনিক বলেছেন,'যুদ্ধ বিতরতির পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার ঘোষণায় বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরতে চলেছে।' ইরানের তেল রফতানি এবার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনলাইন ট্রেডিং ও বিনিয়োগ সংস্থা আইজি মার্কেটের বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে হরমুজ অবরুদ্ধ হলে ক্রেতাদের ওপর চাপ তৈরি হবে। তখন তারাই প্রণালী খুলতে উদ্যোগী হবে।

হরমুজ অতিক্রম

এই অচলাবস্থার মধ্যেই ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে তিনটি তেলের ট্যাঙ্কার। তবে সোমবার এই প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজই চলাচল করেনি। ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ নোঙর করা রয়েছে। তবে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দিয়ে তেল পরিবহন শুরু করেছে সৌদি আরব। প্রতিদিন ৭০ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হচ্ছে । যুদ্ধের সময় ইরানের হামলায় এই পাইপ লাইন যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।