WB Education News: বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে মানোয়ন্ননে এবার বিশেষ পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। জাতীয় শিক্ষানীতি চালুর আগেই এবার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে নয়া কর্মশালা শুরু করল রাজ্য স্কুল শিক্ষাদফতর। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
WB Education News: রাজ্যে পালাবদলে শিক্ষাক্ষেত্রেও বড় বদল। সরকারি তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল যে, বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করা হবে। কারণ, বেহাল বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার মানোয়ন্নয়নে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ধাপে ধাপে এবার বাংলাতেও যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হবে সে কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। সেই প্রক্রিয়া পুরোদমে চালুর আগে এবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিশেষ ট্রেনিং দিতে 'পরখ' নামে নতুন কর্মশালা চালু করল সরকার।
রাজ্য সরকারের শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন কর্মসূচি চালু:-
রাজ্যে পালা বদলের পরেই চালু হতে চলেছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। তাই শিক্ষকদের বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষিত করতে শিক্ষকদের মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং প্রশ্নপত্র তৈরির বিশেষ পাঠ শুরু হল সল্টলেক বিদ্যাসাগর ভবনে। দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ। পাঁচ দিনব্যাপী এই কর্মশালার সূচনা করেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।
শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP 2020) অঙ্গ হিসেবে এনসিইআরটি-র (NCERT) অধীনে 'পরখ' (Performance Assessment, Review, and Analysis of Knowledge for Holistic Development) মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।
PARAKH-এর মূল লক্ষ্য
বই মুখস্থ-নির্ভর পড়াশোনা থেকে সরে এসে স্কিল বেসড বা দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার উপর জোর দেওয়া
শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী প্রোগ্রেস কার্ড তৈরিতে সাহায্য করা
শিক্ষার্থীদের শেখার মান যাচাইয়ের জন্য বড় আকারের স্কুল-ভিত্তিক সমীক্ষা পরিচালনা করা।
অন্যদিকে, রাজ্যে বদলের পরেও উত্তপ্ত শিক্ষাঙ্গন, আইডেন্টিটি কার্ড সহ প্রবেশ নিয়ে বচসা, এভিবিপির পোস্টার ছিড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে, পাল্টা সাধারণ ছাত্রদের মারধরের অভিযোগ এভিবিপির বিরুদ্ধে, ঘটনাস্থলে আইসি সহ পুলিশ বাহিনী, তৃণমূলের সংস্কৃতি কলেজে বহন করছে বিজেপি খোঁচা সিপিআইএমের, এভিবিপি এই ধরনের রাজনীতি করে না পাল্টা বিজেপি, শুরু তরজা
মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর কলেজে ধুন্ধুমার।কলেজে আইডেন্টি কার্ড সহ প্রবেশ নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি। এভিবিপির পোস্টার ছিড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে। পাল্টা এভিবিপির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ সাধারণ ছাত্রদের একাংশের। ঘটনাস্থলে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সুমিত কুমার ঘোষ সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুর কলেজে আইডেন্টি কার্ড ছাড়া এক সাধারণ ছাত্র প্রবেশ করতে গেলে এভিবিপির সদস্যরা বাধা প্রদান করে।ছাত্রদের একাংশ প্রশ্ন তোলে এই কাজ কলেজ কর্তৃপক্ষ ছেড়ে কেনো রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যরা করবে। তারপরেই শুরু হয় বিবাদ।
অভিযোগ এভিবিপির সদস্যরা বাইরে থেকে ছেলে নিয়ে এসে মারধর করে। অন্যদিকে এভিবিপির দাবি সচিত্র পরিচয় পত্র ছাড়া প্রবেশ নিয়ে বিরোধিতা করায় এসএফআই তাদের পোস্টার ছিড়ে দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির দাবি তাদের নিজস্ব কোন ছাত্র সংগঠন নেই।
তবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন এভিবিপি এই ধরনের রাজনীতি করে না। তৃণমূলের গুন্ডারা এসএফআইয়ের মুখোশ পরে এইসব করছে। অন্যদিকে সিপিআইএমের দাবি তৃণমূলের সংস্কৃতি কলেজে বহন করছে বিজেপি। সাধারণ ছাত্রদের আক্রমণ করছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


