NSE Listing: দীর্ঘ এক দশকের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে (বিএসই) তালিকায় উঠলো ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই)। বৃহস্পতিবার ইস্যু মূল্যের চেয়ে প্রায় এক শতাংশ প্রিমিয়ামে ১৮০০ টাকায় শেয়ারটির লেনদেন শুরু হয়। এটি ভারতীয় শেয়ার বাজারের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

NSE Listing: বৃহস্পতিবার ভারতীয় শেয়ার বাজারের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক চিহ্নিত করেছে। দেশের বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই), অবশেষে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। এক দশকের দীর্ঘ সংগ্রামের পর এনএসই-র শেয়ার লেনদেন শুরু হয়েছে। তালিকাভুক্তির প্রথম দিনে শেয়ারটি স্থিতিশীলভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি প্রায় এক শতাংশ প্রিমিয়ামে খোলে, যা শেয়ার বরাদ্দ পাওয়া বিনিয়োগকারীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

এক দশকের অপেক্ষার অবসান

গত ১০ বছর ধরে স্টক এক্সচেঞ্জে এনএসই-কে তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা চলছিল। অসংখ্য নিয়ন্ত্রক জটিলতা বারবার এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছিল। বৃহস্পতিবার এই সমস্ত বাধা দূর হয়েছে। দেশের বৃহত্তম এক্সচেঞ্জ হওয়ায় বিনিয়োগকারী এবং বাজার নেতৃবৃন্দ একইভাবে এর তালিকাভুক্তির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। এই তালিকাভুক্তি কেবল একটি নতুন কোম্পানির প্রবেশই নয়, ভারতীয় পুঁজি বাজারের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

ইস্যু মূল্যের তুলনায় শেয়ারটির পারফরম্যান্স কেমন ছিল?

এনএসই-র ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ₹১,৭৮৫। তালিকাভুক্তির দিনে বাজার বিশ্লেষকরা শেয়ারটির উদ্বোধনী মূল্যের দিকে তীক্ষ্ণভাবে নজর রাখছিলেন। বৃহস্পতিবার ট্রেডিং শুরু হলে, স্টকটি ১,৮০০ টাকায় খোলে। সহজ কথায়, এটি তার ইস্যু মূল্যের চেয়ে ০.৮৪% বা প্রায় ১% বেশি দামে খোলে। এর মানে হলো, যে বিনিয়োগকারীরা আইপিও-তে শেয়ার পেয়েছিলেন, তারা শেয়ার প্রতি প্রাথমিকভাবে ১৫ টাকা লাভ করেছেন।

বিএসই প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ

এই তালিকাভুক্তির একটি আকর্ষণীয় দিক হলো, এনএসই-র শেয়ার বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে (বিএসই) তালিকাভুক্ত হয়েছিল। স্টক মার্কেটের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এক্সচেঞ্জ তার নিজের প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত হতে পারে না। তাই, এনএসই-কে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএসই-র প্ল্যাটফর্মের শরণাপন্ন হতে হয়েছিল। ১,৮০০ টাকায় এই সূচনা এনএসই-র ব্যবসার প্রতি বাজারের পূর্ণ আস্থারই প্রতিফলন। স্টকটি একেবারে শুরু থেকেই তার শক্তি বজায় রেখেছে, যা এই বিশাল কোম্পানির ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।