- Home
- Business News
- Life Certificates: পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা! ১ নভেম্বর থেকে বাড়ি বসেই জমা দিন লাইফ সার্টিফিকেট
Life Certificates: পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা! ১ নভেম্বর থেকে বাড়ি বসেই জমা দিন লাইফ সার্টিফিকেট
পেনশনভোগীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। এবার আর প্রতি বছর লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট (Digital Life Certificate)।

পেনশনভোগীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। এবার আর প্রতি বছর লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট (Digital Life Certificate)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের পঞ্চম দেশব্যাপী ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট ক্যাম্পেন বা DLC 5.0। কেন্দ্রীয় সরকারের পেনশন ও পেনশনভোগী কল্যাণ দফতরের উদ্যোগে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ অভিযান। এটি এখনও পর্যন্ত দেশের বৃহত্তম ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট ক্যাম্পেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

এই অভিযানের আওতায় দেশের প্রায় ২,০০০ শহর ও জেলায় পেনশনভোগীদের কাছে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রায় ২.৩০ কোটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ফেস অথেন্টিকেশন প্রযুক্তিতে। অর্থাৎ, স্মার্টফোনের ক্যামেরায় মুখের ছবি স্ক্যান করেই তৈরি করা যাবে জীবন প্রমাণপত্র।
প্রতি বছর পেনশন চালু রাখার জন্য পেনশনভোগীদের লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে বয়স অনুযায়ী সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময়সীমায় কিছু পার্থক্য রয়েছে। ৮০ বছর বা তার বেশি বয়সি পেনশনভোগী: ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। ৮০ বছরের কম বয়সি পেনশনভোগী: ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। অর্থাৎ, নভেম্বর মাস থেকেই দেশের অধিকাংশ পেনশনভোগীর জন্য লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
বাড়িতে বসে কীভাবে জমা দেবেন জীবন প্রমাণপত্র?
এবারের ক্যাম্পেনের অন্যতম আকর্ষণ হল ফেস অথেন্টিকেশন প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে Android এবং iOS—দুই ধরনের স্মার্টফোন থেকেই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট তৈরি করা সম্ভব।
প্রক্রিয়াটি হল—
1. প্রথমে সরকারি Jeevan Pramaan অ্যাপ এবং প্রয়োজনীয় Face Authentication অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে।
2. পেনশনভোগীর আধার নম্বর ও প্রয়োজনীয় পেনশন সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে।
3. স্মার্টফোনের ক্যামেরার সামনে মুখ রেখে ফেস অথেন্টিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।
4. সফলভাবে যাচাই হয়ে গেলে তৈরি হবে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট।
5. সার্টিফিকেট তৈরি হলে মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে Jeevan Pramaan ID পাওয়া যাবে।
এই সার্টিফিকেট অনলাইনে সংশ্লিষ্ট পেনশন প্রদানকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে যাবে। ফলে আলাদা করে ব্যাঙ্কে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এবারের ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট ক্যাম্পেনকে বিশেষভাবে সাজিয়েছে কেন্দ্র। পেনশনভোগীদের শুধু সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুবিধা নয়, আরও কয়েকটি পরিষেবাও দেওয়া হবে।
এর মধ্যে রয়েছে—
- - স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা হেলথ চেকআপ।
- - আধার সংক্রান্ত তথ্য আপডেট।
- - প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়িতে বসেই পরিষেবা পাওয়ার ব্যবস্থা।
- - ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সরকারি দফতর, পেনশন প্রদানকারী ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্ক, রেল, EPFO, UIDAI-সহ একাধিক সংস্থা যুক্ত থাকবে।
হ্যাঁ। Jeevan Pramaan-এর মাধ্যমে বাড়িতে বসেই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট তৈরি করা সম্ভব। তবে যাঁদের স্মার্টফোন ব্যবহারে সমস্যা রয়েছে, তাঁরা নিকটবর্তী Jeevan Pramaan Centre, ব্যাঙ্কের শাখা অথবা ব্যাঙ্কিং পরিষেবার সাহায্য নিতে পারেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে বিশেষ করে প্রবীণ ও অসুস্থ পেনশনভোগীদের ব্যাঙ্কে যাতায়াতের ঝামেলা অনেকটাই কমবে।