- Home
- Business News
- Post Office RD Scheme: প্রতি মাসের পেনশন জমিয়েই লাখপতি হবেন কীভাবে? জানুন সহজ উপায়
Post Office RD Scheme: প্রতি মাসের পেনশন জমিয়েই লাখপতি হবেন কীভাবে? জানুন সহজ উপায়
Post Office RD Scheme: পোস্ট অফিস: দুই তেলেগু রাজ্যে সরকার অনেককেই পেনশন দেয়। তবে এই পেনশনের টাকা খরচ না করে জমালেই কিন্তু লাখ টাকা জমানো সম্ভব। পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট বা আরডি (RD) স্কিমে বিনিয়োগ করলেই এই ম্যাজিক দেখতে পাবেন।

পোস্টে অফিসের জন্য সেরা স্কিম
হাতে একলপ্তে বেশি টাকা নেই? চিন্তা নেই। মাসের আয় থেকে অল্প অল্প করে টাকা জমানোর জন্য পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট দারুণ কাজে আসে। এখানে একবারে অনেক টাকা ঢালার দরকার পড়ে না। আপনি নিজের সুবিধামতো একটা অঙ্ক ঠিক করে প্রতি মাসে জমা করতে পারেন। বাচ্চাদের পড়াশোনা, সংসারের খরচ বা ভবিষ্যতের জন্য যাঁরা একটু একটু করে টাকা জমাতে চান, তাঁদের জন্য এই স্কিম সেরা।

পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট স্কিম
পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট স্কিমের মেয়াদ ৫ বছর। গ্রাহকদের প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা করতে হয়। মেয়াদ শেষে আসল টাকার সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী সুদ যোগ করে পুরো টাকাটা ফেরত দেওয়া হয়। এই স্কিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একবারে মোটা টাকা জমানোর চাপ থাকে না। তবে হ্যাঁ, প্রতি মাসে ঠিক সময়ে কিস্তির টাকা জমা দেওয়াটা জরুরি। কিস্তি দিতে দেরি হলে কিন্তু জরিমানা গুনতে হতে পারে।
রেকারিং ডিপোজিটে কত টাকা করে জমাবেন?
ধরুন, আপনি এই স্কিমে প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে ৫ বছর ধরে জমা করছেন। ৫ বছর মানে ৬০ মাস। প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে দিলে আপনার মোট জমানো টাকার পরিমাণ দাঁড়াবে ১,২০,০০০ টাকা। আর এই টাকার ওপর আপনি বছরে ৬.৭% হারে সুদ পাবেন।
কত শতাংশ হারে সুদ দেবে?
এই স্কিমে বছরে ৬.৭ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যায়। আপনি যদি ৬০ মাস ধরে প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে জমা করেন, তবে মেয়াদ শেষে একটা মোটা টাকা হাতে পাবেন। হিসেব বলছে, ৫ বছরে আপনার মোট জমানো টাকা ১,২০,০০০ টাকা হলেও, মেয়াদ শেষে আপনি পাবেন ১,৪২,৭৩২ টাকা। অর্থাৎ, শুধু সুদ বাবদই আপনার লাভ হবে ২২,৭৩২ টাকা।
আরডি স্কিমে টাকা জমানোর আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি
পোস্ট অফিসের আরডি স্কিমে টাকা জমানোর আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। প্রথমত, অ্যাকাউন্ট খোলার দিন সুদের হার কত চলছে, তা পোস্ট অফিস থেকে ভালো করে জেনে নিন। সেই সুদের হার অনুযায়ী মেয়াদ শেষে কত টাকা পাবেন, তার একটা হিসেব কষে নেওয়া ভালো। পাশাপাশি, নিজের আয়ের ওপর ভিত্তি করেই মাসিক কিস্তির অঙ্কটা ঠিক করবেন। কিস্তি দিতে দেরি হলে জরিমানা, মেয়াদ বাড়ানো বা মাঝপথে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার নিয়মকানুনগুলোও আগেভাগে জেনে নেওয়া উচিত।

