SIP Huge Returns: কেউ যদি ২০ বছর ধরে প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে জমান, তাহলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে মোট রিটার্ন হতে পারে ৩০ লক্ষ টাকারও বেশি। যদি আপনি ৩০ বছর ধরে এসআইপি চালিয়ে যান এবং প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ১০ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা।

SIP Huge Returns: কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন কে না দেখে। সবথেকে বড় বিষয় হল, প্রত্যেকেই চান ভবিষ্যতের ফান্ডকে সুরক্ষিত করতে। তবে সবসময় সেটা ফিক্সড ডিপোজিটের মাধ্যমে সম্ভব নয়। সেই কারণেই, মার্কেট অ্যানালিস্টরা সবসময় দ্রুত বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। নিয়মিত ছোট ছোট বিনিয়োগ করেও বড় ফান্ড গড়ে তোলা সম্ভব (SIP Huge Returns)। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে মিউচুয়াল ফান্ডের এসআইপি(SIP) বিনিয়োগ (best SIP for high returns)। তবে অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যেই বিনিয়োগকরা উচিত। ধরা যাক, কেউ রোজদিন ১০০ টাকা করে জমাচ্ছেন। তার মানে, এক মাসে সেই টাকার পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ৩,০০০ টাকা। দীর্ঘমেয়াদে এই টাকা বিনিয়োগ করলে বড় ফান্ড গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন আর্থিক বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন - এখন সোনায় বিনিয়োগ করা উচিত? কী বলছে শেয়ার বাজারের গতি, দেখুন বিনিয়োগে বসতে লক্ষ্মী-র নতুন পর্ব

প্রতিদিন ১০০ টাকা করে জমিয়েই হতে পারেন কোটিপতি?

তাছাড়া SIP-তে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ পাওয়া যায়। অর্থাৎ, যে রিটার্ন আপনি পেয়েছেন, তার উপরেও আবার রিটার্ন পেতে পারেন। এবার আপনি যদি টানা ১০ বছর ধরে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে সেই টাকার পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার। অর্থাৎ, ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা আপনি বিনিয়োগ করছেন। এরপর বছরে ১২% হারে দশ বছর পর, সেই টাকা রিটার্ন আসবে আপনার কাছে। তখন সেই পরিমাণ গিয়ে পৌঁছাবে প্রায় ৭ লক্ষ ৫ হাজারে।

বিনিয়োগের বিরাট খবর

Gen Z-রা কেমন ভাবে বিনিয়োগ শুরু করবেন? প্রথমেই যা যা করা উচিত... দেখুন বিনিয়োগে বসতে লক্ষ্মী-র নতুন পর্ব

কেউ যদি ২০ বছর ধরে প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে জমান, তাহলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে মোট রিটার্ন হতে পারে ৩০ লক্ষ টাকারও বেশি। যদি আপনি ৩০ বছর ধরে এসআইপি চালিয়ে যান এবং প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ১০ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। তবে সম্ভাব্য রিটার্ন আবার ১ কোটির বেশিও হতে পারে। কারণ, দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ করতে থাকলে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের পরিমাণ আরও বাড়তে থাকে। ফলে, রিতান্র অনেকটা বেশি পাওয়া যায়। অর্থাৎ, অ্যাসেটের বৃদ্ধি দ্রুত হয়।

অতএব, প্রতিদিন ছোট ছোট বিনিয়োগ অনেকসময় বড় ফান্ড গর্তে ব্যাপক সাহায্য করে থাকে।

Disclaimer: এশিয়ানেট নিউজ বাংলা কখনও কোথাও বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিসাপেক্ষ বিষয়। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।