মার্চ মাসের শুরুতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ। ইতিমধ্যে ১২ হাজার ৪৪৫টি শূন্যপদে নিয়োগ চেয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনে (এসএসসি) পাঠিয়েছে শিক্ষা দফতর।

মার্চ মাসের শুরুতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ। ইতিমধ্যে ১২ হাজার ৪৪৫টি শূন্যপদে নিয়োগ চেয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনে (এসএসসি) পাঠিয়েছে শিক্ষা দফতর। ৫০০টি শূন্যপদ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার সমাধান করে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে কাউন্সেলিংও শুরু করে দেবে এসএসসি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মার্চের শুরুতেই নিয়োগ শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। জানা গিয়েছে, চাকরিহারা শিক্ষকদের মধ্যে ৮ হাজার ২৯৯ জন নিজেদের পদ ফিরে পেতে চলেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছিল ১৪ সেপ্টেম্বর। ফলপ্রকাশ হয় গত ৭ নভেম্বর। তথ্য যাচাই, ভাইভা ও ইন্টারভিউয়ের মূল প্রক্রিয়া চলেছে গত ১৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামার মাধ্যমে এসএসসি জানিয়েছিল, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে তারা নিয়োগের সুপারিশপত্র দিতে শুরু করবে। তবে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে আরও কিছু প্রার্থীর ইন্টারভিউ নিতে বাধ্য হয় কমিশন। এছাড়াও নানা পদ্ধতিগত জটিলতা, শূন্যপদের হিসাবে গরমিল, সফলদের তালিকায় বেশ কিছু দাগিকে পরে চিহ্নিত করা এবং তাঁদের বাদ দেওয়ার কাজে চলে যায় অনেকটা সময়। ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত হয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা। ১২,৪৪৫ শূন্যপদের জন্য এই প্যানেল প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। উত্তীর্ণদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশ করা হয় অনুত্তীর্ণদের তালিকাও। এছাড়াও প্রকাশ করা হয়েছে ওয়েটিং লিস্টের তালিকাও। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে কাউন্সেলিং। তারপর সেই ভিত্তিতেই দেওয়া হবে সুপারিশ পত্র।

কমিশন সূত্রে খবর, সল্টলেকে এসএসসির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসার জন্য অন্তত এক-দেড় সপ্তাহ সময় রেখে জারি করা হবে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে একাদশ-দ্বাদশ এবং নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে রাজ্যকে। আগে সেই সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরে রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত সেই সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়। একাদশ-দ্বাদশের পরে শুরু করতে হবে নবম-দশমের নিয়োগ প্রক্রিয়া। শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষা হতে চলেছে আগামী ১ এবং ৮ মার্চ।