হোম কোয়ারান্টাইনের সময় পার করেও রক্ষে নেই। সাংসদ হয়েও প্রতিনিয়ত তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রাখছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। শনিবার এমনই অভিযোগ করলেন রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, এদিন আবাসন ছেড়ে কয়েক মিনিটের জন্য বাইরে বের হওয়ায় পুলিশ মহলে হুলস্তুল পড়ে যায়। পুলিশের গতিবিধি আন্দাজ করে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবার আবাসনে ফিরে আসেন। পুলিশ খোঁজার কারণ সাত ঘন্টার মধ্যে তিনি জানাতে না পারলে বিষয়টি  উচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ করার হুমকি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

কেন্দ্র বলছে ৫৭১, রাজ্য়ের হিসেবে বাংলায় করোনা অ্যাকটিভ ৪২৩.

৩১ মার্চ কলকাতা থেকে রায়গঞ্জে আসেন রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চোধুরী। অন্য জেলা থেকে মন্ত্রী দেবশ্রী চোধুরী রায়গঞ্জে আসায় জেলা প্রশাসন তাকে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন। আবাসনে কোয়ারান্টাইনের পোস্টার লাগিয়ে দেয় প্রশাসন। হোম কোয়ারান্টাইনের মেয়াদ শেষ হয় গত ১৩ এপ্রিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও  মন্ত্রীর গতিবিধির উপর বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ বলে অভিযোগ। 

কেন্দ্রীয় দলকে সহযোগিতা করছে না রাজ্য়, মুখ্য়সচিবকে ফের কড়়া চিঠি.

শনিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ মন্ত্রী দেবশ্রী চোধুরী অন্য একজনের স্কুটিতে চেপে বাইরে বের হন। পুলিশ এই খবর পাওয়ার পর বিশাল পুলিশ বাহিনী তার খোঁজে আসরে নামেন। রায়গঞ্জের সুর্দশনপুরের বেসরকারি একটি স্কুলের সামনে দিয়ে আবার তিনি আবাসনে  ফিরে আসেন। পুলিশ তাকে কী কারে খোঁজ করছে তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি মন্ত্রী। এই প্রশ্নে মন্ত্রী উত্তেজিত হয়ে বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাকে নজরবন্দি করে রেখেছেন। 

কীসের ভিত্তিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা, কেন্দ্রীয় দলের একাধিক প্রশ্নের মুখে নবান্ন.

কোয়ারান্টাইনের মেয়াদ শেষ হবার পরও তাকে কেন  নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে এর উত্তর দাবি করেন তিনি। সাত ঘণ্টার মধ্যে তিনি এর উত্তর না পেলে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে অভিযোগ জানানোর হুমকিও দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর লকডাউনের মধ্যে সাংসদ কি কারণে আবাসন ছেড়ে বাইরে এসেছেন তা জানতেই আবাসনের সামনে তাদের  আসা।