কোভিড হাসপাতালে ডিউটি দেওয়া নিয়ে বিএমওএইচের সঙ্গে বচসার জেরে গুরুতর অসুস্থ কালিয়াগঞ্জের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। অভব্য আচরণের পাশাপাশি বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে বিএমওএইচের বিরুদ্ধে। শেষমেশ পরিবারের চেষ্টায় নিয়ে আসা হয় নার্সিংহোমে। যদিও পরে মারা যান ওই চিকিৎসক। পরিবারের অভিযোগ, কোভিডের ডিউটি করতে না রাজি হওয়ায় তাকে জোর করে কাজ করানোর চেষ্টা করেন বিএমওএইচ। স্বাস্থ্যদপ্তর,জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার দাবি করেছে পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রবীন্দ্রনাথ প্রধান।

করোনা পজিটিভ প্রসূতির সুস্থ সন্তান, খুশির হাওয়া ফুলেশ্বরের হাসপাতালে...

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিদিনের  মতো এদিনও নিজের কর্মস্থলে যান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক নিলয় পাট্টাদার। ইটাহারের দুর্লভপুরে তার চিকিৎসা কেন্দ্র। সেখান থেকে ইটাহারের বিএমওএইচ নিলয়বাবুকে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, নিলয়বাবু বিএমওএইচ-এর কাছে গেলে তাকে কোভিড ১৯ এর হাসপাতালে ডিউটিতে যেতে বলেন। নিলয়বাবুর শরীর খারাপ থাকায় তিনি ডিউটি  যেতে অস্বীকার করেন।

দ্বিতীয় চিঠিতেই সুর নরম,সুপ্রিম কোর্টের উল্লেখ দেখেই কি কেন্দ্রীয় দলকে ছাড়পত্র.

পরিবারের অভিযোগ, এতে দুজনের মধ্যে বচসা হয়। পরবর্তীকালে পুলিশ দিয়ে তাকে জোর করে ডিউটিতে যেতে বাধ্য করান বিএমওএইচ। পরে তিনি আরও অসুস্থ বোধ করলে তাকে ইটাহার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরিবারের লোকেরা খবর পেয়ে ইটাহার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছুটে যান। পরিবারের আরও অভিযোগ, সেখানে তার সুচিকিৎসা হয়নি। এমনকী দুর্ব্যবহার করা হয় পরিবারের প্রতি। 

চিকিৎসকদের পর এবার চারজন নার্স, কলকাতা মেডিক্যালে করোনা আতঙ্ক জারি.

পরে সেখান থেকে নিলয়বাবুকে পরিবারের লোকেরা রায়গঞ্জের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। যদিও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এ ব্যাপারে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত  এডিএম তুষার বিশ্বাস ও সিএমওএইচ রবীন্দ্রনাথ প্রধান গোটা বিষয়টির তদন্ত করতে ওই নার্সিং হোমে এসেছেন।