৮ জুনিয়র ডাক্তারের পর এবার কলকাতা মেডিক্যালে  করোনার গ্রাসে ৪ নার্স। এদেরকে বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি করা হয়েছে।  এদের মধ্যে ৩ জনই প্রসূতি বিভাগে কাজ করতেন। একজন ছিলেন কার্ডিওলজি বিভাগে। জানা গিয়েছে, নার্সদের সঙ্গে আক্রান্ত হয়েছেন অর্থোপেডিক বিভাগের এক ইন্টার্নও। ইতিমধ্য়েই আক্রান্তরা যাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এই আক্রান্তের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।

দ্বিতীয় চিঠিতেই সুর নরম,সুপ্রিম কোর্টের উল্লেখ দেখেই কি কেন্দ্রীয় দলকে ছাড়পত্র...

তবে একাধিক চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর নতুন করে নার্সদের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারের গাইড লাইন মেনে প্রত্যেক ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতাল কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে সোমবারই প্রেস রিলিজ করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে মুখ খোলেন এমবিবিএস ইন্টার্নরা। তাঁদের অভিযোগ, করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা একেবারে ঠিক নয়। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তাতে কোভিড মোকাবিলায় ঝুকিঁপূর্ণ পরিবেশের দিকে যাচ্ছেন ডাক্তাররা। 

অবশেষে ছাড়পত্র, রাজ্য়ের নজরদারিতে কলকাতা পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রীয় দল.

ইন্টার্নদের দাবি,বার বার বলা সত্ত্বেও তাদের বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থার পরামর্শ মেনে এন৯৫ মাস্ক দেওয়া হয়নি। এছাড়াও হাসপাতালে আইসোলেশন জ়োন কম রয়েছে। যথেষ্ট নিরাপত্তার সরঞ্জাম না থাকার কারণে এখন তারাই কোভিডের আশঙ্কায় ভুগছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সাতজন চিকিৎসক ও তিনজন রোগীর শরীরে কোভিড ১৯ ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় কিছুটা হলেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে মেডিক্যালে।  

রাজ্য়ে করোনা আক্রান্ত ৪০০ ছুঁই ছুঁই, বলছে কেন্দ্রের বুলেটিন.

এর আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ মিলেছিল দুই করোনা আক্রান্তের৷ তাদের মধ্যে একজন প্রসূতি,অন্যজন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালেরই এক স্বাস্থ্যকর্মী৷ এদিকে করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১২ চিকিৎ‍সক। জানা গিয়েছে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে থাকেন ওই ১২ জন চিকিৎ‍সক।