গত বুধবারই এদেশে রেকর্ড গড়েছিল করোনা সংক্রমণের ঘটনা। একদিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৮৬ জন। ফলে ভারতে একলাফে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। বোঝা গিয়েছিল পরিস্থিতি যা, তাতে বৃহস্পতিবারই  সংখ্যাটা দুই হাজার ছাড়াতে চলেছে। বৃহস্পতিবারও দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসতে থাকে সংক্রমণের খবর। যার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুর পেরোনোর আগেই আক্রান্তের মোট সংখ্যাটা পার করে যায় ২০০০ গণ্ডি। শেষ পাওয়া খবরে এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০৯৪। এদিনই মৃতের সংখ্যায় হাফসেঞ্চুরি করল ভারত। করোনার বলি হলেন ৫০ জন। তবে এসবের মধ্যে ভাল খবর আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭১ জন। 

সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙ্গুল, হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনেই চলল একসঙ্গে নামাজ পাঠ

একা নিজামুদ্দিনে রক্ষা নেই, এবার কারফিউয়ের মাঝেই জমায়েত রাজস্থানের দরগায়

করোনা অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা, পালাতে হল চিকিৎসককে, দেখুন সেই লজ্জাজনক ভিডিও

এদিকে বৃহস্পতিবার রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের শিকার হলেন আরও এক চিকিৎসক। এবার খোদ এইএমসের চিকিৎসক কাবু হলেন মারণ ভাইরাসে।  দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের সাইকোলজি বিভাগের রেসিডেন্সিয়াল চিকিৎসক তিনি। তাঁর পরিবারকেও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এর আগে রাজধানীর আরও ৬ চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন কোভিড ১৯ রোগে। এদের মধ্যে ২ জন মহল্লা ক্লিনিকের চিকিৎসক । এছাড়া আরও ২ জন সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসক। রোগীদের থেকেই তাঁদের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

 

 

এদিকে বুধবারই দিল্লির চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জানিয়ে দিয়েছেন, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে কোনও স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে দিল্লি সরকার। চিকিৎসক, নার্স ও সাফাইকর্মী সকলের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। 

রাজধানীতে প্রতিদিনউ নতুন করে করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। যার ফলে চিকিৎসকদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আত্মরক্ষার নূণ্যতম সামগ্রী মাস্ক এবং গালভস তাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমানে আসছে না বলে অভিযোগ করছেন অনেক চিকিৎসকই। এই অবস্থায় দিল্লির  হিন্দুরাও হাসপাতালে খারাপ মানের মাস্ক সরবরাহের প্রতিবাদে কয়েকজন চিকিৎসক কাজ থেকে ইস্তফা দেন  বলে জানা যাচ্ছে।