দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া মানুষ এখন ছড়িয়ে পড়েছেন ভারতের সর্বত্র। তাদের থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশ জুড়ে। কোন রাজ্য থেকে কত জন এসেছিলেন এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চালাচ্ছে প্রশাসন। তাঁদের খুঁজে বার করে পাঠান হচ্ছে আইসোলেশনে। এর মধ্যেই প্রশাসনের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিল রাজস্থানের সরওয়ার শহরের এক দরগা। কারফিউ উপেক্ষা করেই এখানে শখানেক  মানুষের জড়ো হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজস্থানের আজমির জেলার সারওয়ার শহরের এক দরগা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভিড় জমিয়েছিলেন কয়েকশো মানুষ। লকডাউন উপেক্ষা করে এই জমায়েতে খবর পয়েই দ্রুত দরগায় পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। রীতিমত লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেওয়া হয় চজনমায়েতকারীদের। ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। লকডাউনের নিয়ম লঙ্ঘন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাদের। 

করোনা অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা, পালাতে হল চিকিৎসককে, দেখুন সেই লজ্জাজনক ভিডিও

করোনা আতঙ্কের মাঝে ফের চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনা, এবার হামলা চালাল খোদ কোভিড ১৯ আক্রান্ত

লকডাউন তুলে নেওয়ার ইজ্ঞিত মিলতেই ফের বুকিং শুরু রেলের, একই পথে এগোল বিমান সংস্থাগুলিও

রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আজমীর শরিফ।  শহরের ঠিক মাঝখানে পাঁচিল ঘেরা দরগায় রয়েছে সুফি সাধক মঈনুদ্দিন চিশতির সমাধি। ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর এই সময়ে আজমীর শরীফের দরগায় চাদর চরানো হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই আসেন এই সময় দরগায়। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে এখন গোটা দেশকে লকডাউন করে রাখা হয়েছে। দেশবাসীকে বারবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আবেদন করছে প্রশাসন।