উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ  লকডাউন  সফল করতে রীতিমত কড়া পদক্ষেপই নিয়েছে। কিন্তু তাতেই তেমন কোনও লাভ হয়নি বলেই মনে করছে প্রশাসন। এখনও বহু মানুষ আছেন যাঁরা অপ্রোজনেই বাড়ির বাইরে যাচ্ছে। নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব না মেনেই ঘুরে বেড়েচ্ছেন ইচ্ছে মত। আর এঁদের এই খেয়ালখুশি মত চলার জন্যই রাজ্যে করোনাভাইরাসে সংক্রমণকে কিছুতেই লাগাম পরানো যাচ্ছে না বলেই মনে করছে প্রশাসন। এই অবস্থায় যোগীর পুলিশ পথ আর নীতি দুটোই বদলে ফেলল ? 

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সাফল্য এনেছে, যুদ্ধ জয়ের পর বললেন 'টিচার আম্মা' ...

আরও পড়ুনঃ আজ রাতে কি হাসপাতালে মোমবাতি জ্বলবে, সকালেই চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা অমিত শাহর ...

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকে বাইবেলে বর্ণিত দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলছে করোনার জীবানু, হুশিয়ারি রাষ্ট্র সংঘের .

কানপুর থেকে পাঠান এই ভিডিওটি দেখলে সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে। এই ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছে কানপুরের কিদওয়াই নগরে। যেখানে দেখাচ্ছে বেশ কয়েকজন লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাঁদেরই থালা হাতে পুজোর ভঙ্গিমায় আরতি করছেন এক কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী। পাশাপাশি বৈদিক মন্ত্রেরও রেকর্ড বাজানোর ব্যবস্থা করা হয়েছ। অন্য এক পুলিশ কর্মী একছড়া কলা হাতে নিয়ে আসছেন। যিনি পুজোর প্রসাদ হিসেবে সেই কলাই বিরতণ করছে লাইন দিয়ে দাঁড়ানো পথচারীদের হাতে। 
 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে লকডাউনের নিময় ভেঙে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন বহু মানুষই। তাঁদেরই ধরে বেঁধে অরতি করে প্রসাদ খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের পথে হেঁটেছে ভারত। দু দফায় প্রায় ৪০ দিনের জন্য লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু প্রথম থেকেই লকডাউন নিয়ে রীতিমত নাজেহাল হতে হয়েছে পুলিশকে। প্রয়োজন তো বটেই অপ্রয়োজনেও বহু মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন। শারীরিক দূরত্বকে নূন্যতম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় নরমে গরমে চলছে পুলিশ। কোথায় কড়া হাতে মোকাবিলা করা হয়েছে। অনেক জায়গাতেই নিয়মভঙ্গকারীদের কান ধরে উঠবোস করানো হয়েছে।  কোথায় রাস্তায় গড়াগড়ি দিতে হয়েছে। পঞ্জাবে লকডাউন সফল করতে গিয়ে পুলিশ কর্মীকে হাত খোয়াতে হয়েছে। 

উত্তর প্রদেশ পুলিশ সূত্র খবর ২৪ হাজার আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৭১ হাজার মানুষ লকডাউনের নিয়ম ভেঙেছেন।