কোনও চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্য কর্মীর ওপর হামালার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্তদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। বুধবার  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য একটি অধ্যাদেশ আনা হচ্ছে। যেখানে সম্পূর্ণ রূপে জিরো টরারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে বলা  হয়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবেই গন্য  করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের ৬ মাস থেকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমাধাও ধার্য করা হতে পারে। 

কিছুটা চড়া সুরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশকে রক্ষার জন্য কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কাজ করে চলেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাই তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ১২০ বছরের পুরনো অর্থাৎ ১৮৯৭ সালের মহামারী আইনের অধীনে এই অধ্যাদেশ আনা হয়েছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মীদের যানবাহান ও ক্লিনিকের কোনও ক্ষতি করা হলে সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্যের দ্বিগুণ ক্ষতিপুরণ হিসেবে আদায় করা হবে। তদন্ত হবে ৩০ দিনের মধ্যে। অভিযুক্তদের ৩ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।জরিমানার অঙ্ক  ৫০ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা। অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান হয়েছে। 

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে রীতিমত প্রতিকূল পরিস্থিতি মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। উত্তর প্রদেশ থেকে রাজস্থান- একাধিক জায়গায় স্বাস্থ্য কর্মীদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে আগামিকাল প্রতীকি কালা দিবস পালনের ডাক দিয়েছিল দেশের চিকিৎসকদের সংগঠন। কিন্তু তার আগেই বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ। 

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকে বাইবেলে বর্ণিত দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলছে করোনার জীবানু, হুঁশিয়ারি রাষ্ট্র সংঘের ...

আরও পড়ুনঃ আজ রাতে কি হাসপাতালে মোমবাতি জ্বলবে, সকালেই চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা অমিত শাহর ...

আরও পড়ুনঃ যোগীর রাজ্যে আরতির থালা আর কলা হাতে পুলিশ ঘুরছে রাস্তায়, দেখুন সেই ভিডিও ...